নয়াদিল্লি: ডিজিটাল মাধ্যম থেকে প্রতিবাদ, আন্দোলনকে রাস্তায় নামিয়ে এনেছেন। দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আন্দোলনে শামিল হয়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ। তবে এখানেই শেষ নয়, আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে  যাওয়ার ইঙ্গিত দিলেন CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে। শনিবারের আন্দোলনকে শুধুমাত্র ‘ট্রেলার’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। (Cockroach Janta Party)

Continues below advertisement

রবিবার মাইক্রোব্লগিং সাইট X (সাবেক ট্যুইটার)-এ বৃহত্তর আন্দোলনের ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিজিৎ। তাঁর বক্তব্য, ‘গতকাল হাজার হাজার মানুষ মিলে ইতিহাস তৈরি করেছেন। যন্তর মন্তরে আমাদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সরকারকে ট্রেলার দেখিয়ে দিয়েছে যে আরশোলারা ঐক্যবদ্ধ হলে কী করতে পারে’। (Abhijeet Dipke)

আরও পড়ুন: মদ্যপানের পর এনার্জি ড্রিঙ্কস, কনসার্টে গিয়ে বেঘোরে মৃত্যু যুবকের, হাসপাতালে বান্ধবী

Continues below advertisement

অভিজিৎ জানিয়েছেন, গতকাল যাঁরা আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন, আগে কখনও কোনও প্রতিবাদ বা বিক্ষোভে অংশ নেননি। সকলের সম্মিলিতি উপস্থিতি ওঁদের মনোবল বাড়িয়ে তোলে। দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে নিয়ে যে ক্ষোভ জমেছিল মনে, তা প্রকাশ করার সাহস পেয়েছেন।

বিদেশে বসেই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সূচনা করেন অভিজিৎ। NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে পথে নামতে আমেরিকা থেকে দেশে ফেরেন গতকালই। তাঁর বক্তব্য, “গলা না চড়াতে পারলে পরিবর্তন আসবে না। ঐক্যবদ্ধ, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের গায়ে হাত দিতে পারবে না সরকার। আরশোলাদের ওদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।”

আরও পড়ুন: জন্মের হারে বড় পতন, কী অপেক্ষা করছে ভারতের জন্য? ওয়ার্নিং দিলেন খোদ ইলন মাস্ক

শনিবার নিজের বক্তৃতায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেন তিনি। সাত দিনের মধ্যে ধর্মেন্দ্র পদত্যাগ না করলে, আবারও রাস্তায় নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। অভিজিৎ বলেন, “এখানেই শেষ নয়। ধর্মেন্দ্র প্রধান একটা গোটা প্রজন্মের সঙ্গে অন্যায় করেছেন। ওঁকে যদি সরানো না হয় অথবা উনি যদি আগামী সাত দিনের মধ্যে পদত্যাগ না করেন, আমরা রাস্তায় আন্দোলন চালিয়ে যেতে বাধ্য হব।”

গতকাল আন্দোলন থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি তোলা হয়। ডাক্তারি পড়ুয়া থেকে, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসা তরুণ-তরুণী, অভিভাবক, চাকুরে, সকলেই আন্দোলনে যোগ দেন। শিক্ষাবিদ তথা সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকও অংশ নেন আন্দোলনে।