নয়াদিল্লি : জাতীর উদ্দেশে ভাষণে গোটা বিরোধী শিবিরকে নিশানা করেছেন। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে পাল্টা সরব হল কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডেলে নিশানা শানান কংগ্রেসের কমিউনিকেশন ইন-চার্জ জয়রাম রমেশ। তিনি বলেছেন যে, একজন ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের একটি পবিত্রতা রয়েছে এবং এটি একটি নির্দলীয় ভাষণ হওয়ার কথা, যার উদ্দেশ্য হল জাতীয় সংকল্প ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা। সোশাল মিডিয়ায় কংগ্রেস নেতা লেখেন, "এই করুণ পক্ষপাতমূলক ও বিতর্কিত আক্রমণ-যা জাতীর উদ্দেশে ভাষণের পরিবর্তে একটি বেদনাদায়ক ভাষণ-একটি সাংবাদিক সম্মেলনে অধিকতর উপযুক্ত হত। কিন্তু গত রাতে লোকসভায় আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত যে অভূতপূর্ব অপমানের শিকার হয়েছেন, তাতে তিনি যতই বিচলিত হোন না কেন, এই অগৃহীত প্রধানমন্ত্রী এখনও সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতে যথেষ্ট ভীতু।
প্রত্যাশ মতোই মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস না হওয়ায় বিরোধী দলগুলিকে একযোগে নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আসন বাড়িয়ে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস করানোর জন্য় প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লোকসভায় পায়নি মোদি সরকার। একজোট থেকে সাফল্য়ের মুখ দেখেছে বিরোধীরা। মহিলা সংরক্ষণ বিলের পক্ষেও হলেও, এর সঙ্গে লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাসকে জুড়ে দেওয়ার মোদি সরকারের কৌশলের বিপক্ষে ছিল কংগ্রেস, তৃণমূল সহ বিরোধীরা। শেষ অবধি তারাই শেষ হাসি হাসে। এনিয়ে আজ আগেই কংগ্রেস ও ডিএমকে-র বিরুদ্ধে নিশানা শানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। "ঘৃণ্য ও তুচ্ছ রাজনীতির" কারণে এই দুই দল সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল "লাইনচ্যুত" করে দিয়েছে বলে আক্রমণ করেছেন তিনি। তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাত্তুরে নির্বাচনী জনসভা থেকে DMK-র বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন। এদিন জাতীর উদ্দেশে বক্তব্য রাখার সময়ও একই ইস্যুতে সরব হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "দেশের নারী শক্তি দেখছিল। এটা দেখে আমারও খুব দুঃখ হয়েছে যে, যখন মহিলাদের মঙ্গলের জন্য আনা এই বিল পাস করতে ব্যর্থ হয় তখন কংগ্রেস, ডিএমকে, তৃণমূল...দেশের সব পরিবারতন্ত্রী পার্টিগুলি খুশিতে তালি বাজাচ্ছিল। মহিলাদের থেকে তাঁদের অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে এরা টেবিল চাপড়াচ্ছিল !"
