নয়া দিল্লি: প্রবল চাপ ছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছিল আন্দোলনের ঝাঁঝ। অবশেষে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিলেন। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করলেন। NEET-এর প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে ইস্তফা দিলেন তিনি। এদিনও CJP-র সঙ্গে সরকারের বৈঠক ছিল, তবে ঠিক আগে পদত্যাগ করলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।
এরপরই ককরোচ জনতা পার্টির অভিজিৎ দীপকে বলেন, 'এই সরকারে না কি কেউ ইস্তফা দেয় না। আমরা বলছি ঝুঁকতি হ্যায় দুনিয়া, ঝুঁকানেওয়ালা চাইয়ে (দুনিয়া মাথা নত করে, করানোর লোক চাই)। এই ছবিতে যারা আছেন তাঁদের জীবন নিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। যাদের জীবন চলে গিয়েছিল আজ তাঁরা ন্যায়বিচার পেল। ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিয়েছেন, এর থেকে বোঝা গেল যদি আপনি সত্যর পথে লড়াই চালিয়ে যেতে পারেন তাহলে সব অসম্ভব সম্ভব। গণতন্ত্রে ভয় পাব না। আওয়াজ তুলুন তবেই এরা লাইনে থাকবে। এঁদের লাইনে রাখা জরুরি। এঁরা নিজেদের বাদশা ভাবতে শুরু করেছিল। এঁরা আমাদের ভোটেই ওখানে বসেছে এটা ভুলে যাবেন না।'
ইস্তফা দিতেই হবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে, মূল দাবিই ছিল CJP-র। 'জয় হল গণতন্ত্রের, লাঠিচার্জে অভিযুক্ত পুলিশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে', দাবি ছিল ককরোচ জনতা পার্টির। পাশাপাশি এও বলা হয়, লাঠিচার্জে অভিযুক্ত পুলিশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে। সব দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত চলবে আন্দোলন, না মানলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে, এমনটাই জানিয়ে দেন অভিজিৎ দীপকে।
তবে আন্দোলন-অবস্থান শান্তিপূর্ণভাবেই হবে, বার্তা ককরোচ জনতা পার্টির। দিল্লি পুলিশকে অযথা লাঠিচার্য, অশান্ত না করার বার্তাও দেন তাঁরা।
এদিকে , শিক্ষামন্ত্রীর পদে ইস্তফা দিয়ে পোস্ট ধর্মেন্দ্র প্রধানের। তিনি লিখেছেন, 'গত ১০দিনের ঘটনাক্রম দেখে আমার মন ভারাক্রান্ত। ভারতীয় যুব শক্তিই দেশের আসল শক্তি। আমি কখনই দায়িত্ব থেকে মুখ ফিরিয়ে নিইনি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি। দেশবিরোধী শক্তি যাতে পরিস্থিতির ফায়দা তুলতে না পারে। দেশকে এক রাখতেই আমার এই ইস্তফা।'
