কলকাতা : NEET আন্দোলনে উত্তাল গোটা দেশ। ইতিমধ্যেই ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের চাপে ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সিজেপি-র তরফে মোট তিনটি দাবি সরকারের কাছে রাখা হয়েছিল। তার মধ্যে প্রথম দাবিই ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা। এ ছাড়া, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না করার নিশ্চয়তা এবং নিটের প্রশ্নফাঁসে আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা চাওয়া হয়েছিল। সব দাবি মেনে নিল সরকার এবং ইস্তফা দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। কিন্তু শুক্রবার তাঁর ইস্তফার দাবিতে কলকাতায়ও চলে মিছিল। আর এই মিছিল ঘিরে তৈরি হয় চরম বিশৃঙ্খলা। মার খেতে হয় সাংবাদিকদের। পুলিশকে লক্ষ ছোঁড়া হয় জলের বোতল। এই প্রসঙ্গে মুখ খোলেন দিলীপ ঘোষ।          

Continues below advertisement

শনিবার ইকোপার্কে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে CJP ও অতি বাম যোগ নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। তিনি জানান, ''আপনারা জেনে রাখুন এরা কারা, যারা নেপালের গল্প বলছে, পাকিস্তানের গল্প বলছে, কাশ্মীরের। এই যে একটা চেইন আছে না ভারতকে ভাগ করার, ভারতের বিরোধিতা করার, এই স্লোগান বারবার চলে আসে। নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে উগ্রপন্থীদের টাইট করেছেন, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের টাইট করেছেন। তারা এখন শেষ নিঃশ্বাস নিচ্ছে। এরা এই রকম কোনো না কোনো ইস্যুকে সামনে রেখে মাঝে মাঝে উৎপাত করে। মিডিয়াতে এরা বেঁচে থাকে। এদের কোন প্রভাব সমাজে নেই। ওরা যা করেছে, মিডিয়াকে অ্যাটাক করেছে, সাধারণ মানুষ পুলিশকে আক্রমণ করেছে। মানুষ এতে খুব বেশি লাভ পাবে না। আমরা দেখেছি যাদবপুরে একটা আলাদা আইল্যান্ড আছে। যেখানে ভারত বিরোধী স্লোগান দেয়। ভারতকে টুকরে হোঙ্গে, আজাদী, ইনশাআল্লাহ এই সমস্ত স্লোগান আমরা দেখেছি। কিন্তু তাদের অস্তিত্বটা কোথায় আছে? রাজনীতিতে কোথাও নেই। বামপন্থী অতি বামপন্থী কিছু কিছু মানুষ থাকে; কারো হয়ে তারা কাজ করে। এখানেও তাই হয়েছে। গণতন্ত্রের পরিবেশ আছে তাই লাফালাফি করছে।''                          

অতি বাম যোগ নিয়ে দিলীপ ঘোষ জানান, '' রাতারাতি তো বোঝা যায় না। ধীরে ধীরে এক্সপোজ হয় আর হবে। এদের এক্টিভিটি মিলে যাচ্ছে , এদের স্লোগান মিলে যাচ্ছে। এদের কাজ করার ঢং ঘুরেফিরে নরেন্দ্র মোদী সরকারকে আক্রমণ। বোঝাই যাচ্ছে এরা এদিক ওদিক দুটোই আছে।''

Continues below advertisement