Gujrat Water Tank Collapsed: ২১ কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা হয়েছিল জলের ট্যাঙ্ক। ৩৩টি গ্রামে এই ট্যাঙ্ক থেকেই পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল জলের। কিন্তু সেই জলের ট্যাঙ্কই ভেঙে পড়ল প্রথম দিনেই। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গুজরাত পুলিশ ইতিওধ্যেই মামলা দায়ের করেছে। এমনকি এই ঘটনার পর ধরপাকড়ও শুরু করা হয়েছে পুলিশের তরফে। Gaipagla Group Water Supply Scheme- এর গর্ব হতে চলেছিল প্রচুর অর্থ ব্যয় করে নির্মাণ করা এই জলের ট্যাঙ্কটি। তার পরিবর্তে গুজরাত প্রশাসনের কাছে একপ্রকার লজ্জা হয়ে দাঁড়িয়েই শুরুতেই এই জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ার ঘটনা।          

Continues below advertisement

গত ১৯ জানুয়ারি ১৫ মিটার উঁচু এই জলের ট্যাঙ্ক পরীক্ষা করার জন্য ভর্তি করেছিলেন ইঞ্জিনিয়াররা। তারকেশ্বর গ্রামে রয়েছে এই জলের ট্যাঙ্ক। আসলে এই জলের ট্যাঙ্কের কতটা ক্ষমতা, তা পরীক্ষা করার জন্যই ইঞ্জিনিয়াররা সুবিশাল এই ট্যাঙ্ক জলপূর্ণ করেছিলেন । আর তাতেই ঘটে বিপত্তি। উদ্বোধন হওয়ার আগেই হুড়মুড় করে ভেঙে পড়েছে ওই বিশাল আয়তনের ট্যাঙ্ক। ৯ লক্ষ লিটার জল ভরা ছিল ওই ট্যাঙ্কে। আর মুহূর্তেই তা ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। অত বড় ট্যাঙ্কে জল ভরার পরেই যে তা হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে যাবে, তা কল্পনা করেননি কেউই।             

চোখের সামনে অত বড় জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে বিপুল পরিমাণে জল বেরিয়ে আসায়, একপ্রকার জলোচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছিল ওই এলাকায়। জলের ট্যাঙ্ক আচমকা ভেঙে পড়ায় তিনজন শ্রমিকও আহত হয়েছিল। গোটা এলাকায় যেন খোঁড়াখুঁড়ির কাজ করা হয়েছে। ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে স্টিলের টুকরো, পাথরের বড় বড় টুকরো। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারাও। তাঁদের অভিযোগ, নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল জলের ট্যাঙ্কটি। তাই জন্যই এই পরিণতি হয়েছে।                       

Continues below advertisement

নির্মাণের পর উদ্বোধনের আগেই ভেঙে গিয়েছে সুবিশাল জলের ট্যাঙ্ক। নিঃসন্দেহে এ ঘটনা লজ্জার। ঠিক কতটা নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছিল এই জলের ট্যাঙ্ক নির্মাণে, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। কারা এর পিছনে রয়েছে, কী কী সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে, কেন এই জলের ট্যাঙ্ক এত তাড়াতাড়ি ভেঙে গেল - এই দিকগুলি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে চলছে ধরপাকড়ও।