সিমলা : ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে গেল পাহাড়ে। পর্যটনের রাজ্য হিমাচলে মুহূর্তে নেমে এল দুঃস্বপ্নের মতো অন্ধকার। হিমাচলের সিরমৌর জেলার ঘটনা। কুয়াশা ঘেরা শীতের দুপুরে পাহাড়ি রাস্তায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে ছিটকে পড়ল বেসরকারি বাস। মুহূর্তে শেষ হয়ে গেল বহু প্রাণ। মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনায় মৃত্যু হল অন্তত ১৪ জনের। আহতের সংখ্যা কমপক্ষে ৩৫ ।
সিমলা থেকে রাজগড় হয়ে কুপভি যাওয়ার পথে বাসটি হরিপুরধর গ্রামের কাছে রাস্তা থেকে ছিটকে প্রায় ৫০০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায়। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, জেলা সদর নাহান থেকে প্রায় ৯৫ কিলোমিটার দূরে দুর্ঘটনাস্থলে গাড়িটি খাদে পড়ে যায়। সরকারি সূত্রে খবর, বেসরকারি বাসটিতে ৩৯ জন যাত্রীর বসার ক্ষমতা ছিল এবং দুর্ঘটনার সময় অতিরিক্ত যাত্রী ছিল। যাত্রীদের মোট সংখ্যা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এবং নিহতদের জন্য ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সেইসময় বাসে অন্তত ৬৬ জন যাত্রী ছিলেন। পুলিশ-প্রশাসনের পাশাপাশি যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজে হাত লাগান স্থানীয় বাসিন্দারাও। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু।
দুর্ঘটনার কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয়রা সন্দেহ করছেন যে রাস্তায় তুষার জমে থাকার কারণে চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলেন, যার ফলে গাড়িটি খাদে পড়ে যায়।
X-তে এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, "হিমাচল প্রদেশের সিরমৌরে বাস দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা গভীরভাবে দুঃখজনক। যারা তাদের প্রিয় জনদের হারিয়েছেন তাদের সকলের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় মুক্তি তহবিল থেকে প্রতিটি নিহতের নিকট আত্মীয়কে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। আহতদের ৫০,০০০ টাকা দেওয়া হবে।"
