Chicken's Neck: বাংলাদেশকে কড়া বার্তা অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার। তিনি বলেছেন, 'বাংলাদেশ আমাদের চিকেনস নেকে আক্রমণ করলে, আমরাও ওদের দুটো চিকেনস নেকেই হামলা করব।' সূত্রের খবর, চিন নাকি আর্থিক সাহায্য করছে বাংলাদেশকে। ভারতের প্রতিবেশী দেশের লালমনিরহাটে থাকা একটি এয়ারবেসকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্যই করা হচ্ছে এই সাহায্য, এমনটাই শোনা গিয়েছে। এই এয়ারবেস বাংলাদেশের বায়ু সেনার তত্ত্বাবধানে রয়েছে। তবে বাংলাদেশের বায়ু সেনার অধিকারে থাকলেও, এই এয়ারবেস বহু বছর ধরে সক্রিয় নেই।
যেহেতু শোনা যাচ্ছে, চিন বাংলাদেশকে সাহায্য করছে বায়ু সেনা ঘাঁটি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য, সেক্ষেত্রে স্বভাবতই ভারতের চিকেনস নেক, অর্থাৎ শিলিগুড়ি করিডরের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছেই। বাংলাদেশের তরফে আঘাত আসার আশঙ্কাও থাকছে। সেই প্রসঙ্গেই অসমে এক সাংবাদিক সম্মেলনে প্রশ্ন করা হয়েছিল হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে। আর তখনই বাংলাদেশকে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। হিমন্ত বিশ্ব শর্মার কথায়, ভারতের একটি চিকেনস নেক রয়েছে। বাংলাদেশের রয়েছে দুটো। ওরা ভারতের চিকেনস নেকে হামলা করলে, ভারত ওদের দুটো চিকেনস নেকেই পাল্টা আক্রমণ করবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ভারতের চিকেনস নেক হল শিলিগুড়ি করিডর, যা ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিকে, দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে। এই করিডর ২০ থেকে ২২ কিলোমিটার বিস্তৃত একটি এলাকা।
বাংলাদেশের চিকেনস নেক প্রসঙ্গে অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, 'ওদের একটা চিকেনস নেক রয়েছে মেঘালয়ে যা চট্টগ্রাম বন্দরকে যুক্ত করে, এই অংশ ভারতের চিকেনস নেকের থেকে অনেক সরু। ঢিল ছোড়া দূরত্বে থাকা এই অংশ এতইটাই সরু যে একটা আংটি দিয়েই আটকে দেওয়া যাবে।' অন্যদিকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় চিকেনস নেক প্রসঙ্গে খোলসা করে কিছু বলেননি অসমের মুখ্যমন্ত্রী। তবে ভারতের চিকেনস নেকে আক্রমণ হলে ভারত যে পাল্টা কড়া জবাব দেবে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।
অসমের গোলঘাট জেলার দেড়গাঁও এলাকার এক সাংবাদিক সম্মেলনে ভারত এবং বাংলাদেশের চিকেনস নেক প্রসঙ্গে উল্লিখিত এই কথাগুলি বলেছেন। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এও বলেছেন যে, বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ। ভারতের সঙ্গে তার তুলনা হয় না। আর ভারত এখন কতটা শক্তিশালী তা অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমেই জানান দিয়েছে আমাদের দেশ। এর পাশাপাশি হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এও বলেছেন যে, 'ভারতকে আক্রমণ করার জন্য বাংলাদেশকে আরও ১৪ বার জন্মাতে হবে।'