পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়গুলি। ইরান, আমেরিকা, ইজরায়েল, সব পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখে চলছে ভারত। আর প্রথম থেকেই আলোচনার পথে হেঁটে সংঘাত থামানোর পক্ষে কথা বলেছে বিদেশমন্ত্রক। এই আবহে চিনও জানিয়ে দিল, ভারতের সঙ্গে পোক্ত, বন্ধুত্বপূর্ণ ভবিষ্যতের কথাই ভাবছে তারা। মুম্বইয়ে নিযুক্ত চিনের কনসাল জেনারেল কিন জি ( Qin Jie ) ভারত-চিন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে ইতিবাচক বার্তাই দিয়েছেন।  তিনি সাম্প্রতিক অতীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ( Narendra Modi )  এবং চিনা প্রেসিডেন্ট  শি জিনপিং ( Xi Jinping ) -এর সাম্প্রতিক বৈঠকের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তাঁর মতে, দুই দেশের সম্পর্ক সঠিক দিকেই এগোচ্ছে।                   

Continues below advertisement

 BRICS Summit ও ভারত-চিন সম্পর্ক        

তিনি আরও বলেন, চলতি বছরে BRICS Summit নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করে তুলবে।  সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে চিনের কনসাল জেনারেল কিন জি বলেন, “ভারত-চিন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা সঠিক পথে এগোচ্ছি। গত দুই বছরে আমাদের শীর্ষ নেতারা দু’বার সাক্ষাৎ করেছেন, যা সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।” ব্রিকস সম্মেলন প্রসঙ্গে তিনি জানান, “এ বছর দিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন হবে এবং আগামী বছর তা চীনে অনুষ্ঠিত হবে। এই ধারাবাহিকতা আমাদের সম্পর্ক ও বন্ধুত্বকে আরও গভীর করার পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের কল্যাণ এবং বিশ্ব স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

Continues below advertisement

অন্যদিকে, গত মার্চ মাসে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং জি ( Wang Yi ) বেজিংয়ে অনুষ্ঠিত National People's Congress-এর চতুর্থ অধিবেশনের ফাঁকে এক সাংবাদিক বৈঠকে ভারত ও চিনের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “আগামী দুই বছরে ব্রিকসের সভাপতিত্বের বিষয়ে  ক্ষেত্রে ভারত ও চীনকে একে অপরকে সমর্থন করা উচিত।”

বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ায় US-Iran conflict ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে থাকায়, এই মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ওয়াং ই বলেন, “ভারত ও চীন একসঙ্গে কাজ করলে ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর জন্য নতুন আশার দিশা দেখানো সম্ভব।” তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, ব্রিকস জোটের মধ্যে সমন্বিত নেতৃত্ব উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটি স্থিতিশীল শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারে।