নয়াদিল্লি: সংঘর্ষবিরতি ঘোষণার পর গতকাল রাতে পুনে বিমানবন্দরকে ব্ল্যাকআউট করে দেওয়া হয়। চলে মহড়া। মূলত জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে মোকাবিলা করবে বিমানবন্দর, এটাই ছিল এই মহড়ার লক্ষ্য।
শনিবার রাত ৮ টা ২৫ মিনিটে পুনে বিমানবন্দরের সমস্ত আলো অফ করে দেওয়া হয়। রাত ৮ টা ৪৫ মিনিট অবধি চলে এই মহড়া। বিমানবন্দরের স্টাফ কর্মীরা এবং বিপদকালীন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণকারী দল এই পুরো প্রক্রিয়াটির মধ্যে গিয়েছে। এবং যে সময়টায় এই ব্ল্যাকআউট চলছিল, বিমানবন্দরে যে সকল উড়ান অবতরণের অপেক্ষায় ছিল, তাঁদেরকে সেই ২০-৩০ মিনিট ঘোরাফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিমানবন্দর পরিচালক সন্তোষ ধোক জানিয়েছেন, ব্ল্যাকআউট ড্রিল সফল হয়েছে।
শ্রীনগর, জম্মু, লেহ্,অমৃতসর, ধর্মশালা-সহ ৯টি বিমানবন্দরে বিমান চলাচল বন্ধ
উল্লেখ্য, পহেলগাঁওয়ের বদলা, ভারতের প্রত্যাঘাত। শ্রীনগর, জম্মু, লেহ্,অমৃতসর, ধর্মশালা-সহ ৯টি বিমানবন্দরে বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ভুজ, জোধপুর, জামনগর, চণ্ডীগড়, রাজকোটেও ওঠানামা করছে না কোনও বিমান। আজ বেলা ১২টা পর্যন্ত বন্ধ সবকটি বিমানবন্দর। অমৃতসরগামী দুটি আন্তর্জাতিক উড়ানকে ঘোরানো হয়েছে দিল্লিতে।
পাকিস্তানের সামরিক ঘাঁটি গুলিকে নিশানা করতে শুরু করেছিল ভারত,গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল একাধিক এয়ারবেস!
পহেলগাঁওয়ে হিন্দু নিধনের বদলা নিতে অপারেশন সিঁদুর লঞ্চ করেছিল ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ড ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি। আর উল্টে ভারতের সাধারণ মানুষকে নিশানা করে পাকিস্তান। লাগাতার সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন থেকে শুরু করে ভারতের আকাশসীমায় ঢুকে ড্রোন দিয়ে বিস্ফোরণ ঘটনোর চেষ্টা!অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সেসব সামলে, এবার পাল্টা পাকিস্তানের সামরিক ঘাঁটি গুলিকে নিশানা করতে শুরু করেছিল ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল একাধিক এয়ারবেস!
যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা এই অবস্থায় গোটা দেশবাসী যখন পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার দাবিতে ফুঁসছিলেন, ঠিক তখনই সংঘর্ষ বিরতি ঘোষণা হয়ে গেল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। আর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে, অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হল ভারত থেকে ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরে! আর যিনি যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা করলেন, তিনি আর কেউ নন, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এরপরই প্রশ্ন তুলতে শুরু করল বিরোধীরা।