নয়াদিল্লি: অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আপত্তিকর পোস্টের জন্য ইতিমধ্য়েই একাধিকজনের শ্রীঘরে ঠাঁই হয়েছে। সম্প্রতি চেন্নাইয়ের বিশ্ব বিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপিকাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। আর এবার অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য গুজরাতের একজন সরকারি কর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন, কাশ্মীর ইস্যুতে তৃতীয় পক্ষের জায়গা নেই, ট্রাম্পের সঙ্গে বাণিজ্য নিয়ে কি কথা হয়েছে মোদির ? বড় বার্তা বিদেশমন্ত্রকের

অপারেশন সিঁদুর নিয়ে 'আপত্তিকর' পোস্ট সরকারি কর্মীর, তারপর যা করল গুজরাতের পুলিশ

পুলিশ কর্তা মহর্ষি রাভাল জানিয়েছেন, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্য়াটফর্মগুলি চেক করার সময়, জেলা সাইবার টিমের প্রতিনিধিরা একটি আপত্তিকর পোস্ট দেখতে পায়। এরপরেই জানা যায় ওই গুজরাত সরকারের অধীনে কর্মরত ওই ব্যক্তির পোস্ট। এরপরেই আর দেরি করেনি ওই রাজ্যের পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। বছর ২৭ এর গুজরাতের ওই সরকারি কর্মীর নাম কৃপল প্যাটেল। যিনি মূলত রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতর কর্মরত ছিলেন। উল্লেখ্য কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়া ছড়িয়ে পড়ে উস্কানিমূলক, আপত্তিকর এবং অসংখ্য ভুয়ো পোস্ট। এরপরেই কেন্দ্রীয় সরকার পাকিস্তানি ইউটিউব চ্যানেলকে ভারতে নিষিদ্ধ করে দেয়। সেই তালিকায় খোদ পাক প্রধানমন্ত্রীর ইউটিউব চ্যানেলও ছিল। 

পাকিস্তানের ইউটিউব চ্যানেলও ব্যান করে ভারত, নেয় কড়া পদক্ষেপ

কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার পর ইতিমধ্যেই একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। মূলত, ভারতের বিরুদ্ধে প্ররোচনামূলক খবর প্রচারের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। পাকিস্তান সরকারের সোশাল মিডিয়া, পাক সংবাদমাধ্যমের সোশাল সাইটের পর সম্প্রতি পাকিস্তানের ইউটিউব চ্যানেলও ব্যান করে ভারত।মূলত কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার পর সম্প্রতি পাকিস্তানের একাধিক খবর ও বিনোদনমূলক চ্যানেল ভারতে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সুুপারিশে ডন নিউজ, সামা TV, আরি নিউজ, জিও নিউজ-সহ ১৬টি ইউটিউব চ্যানেল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

  পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের ইউটিউব চ্যানেল ভারতে ব্লক করে মোদি সরকার 

পহেলগাঁও হামলার পর থেকে ভারত, ভারতীয় সেনা এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে এই ইউটিউব চ্যানেলগুলির মাধ্যমে লাগাতার উস্কানিমূলক, মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর, ভুল তথ্য সম্প্রচার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। এরপরেই কড়া পদক্ষেপ মোদি সরকারের। নিষিদ্ধ করা হয় ১৬টি পাক ইউটিউব চ্যানেলের সম্প্রচার।  সেই তালিকায় ছিল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের ইউটিউব চ্যানেলও।