'আবগারি দুর্নীতি'র মামলা থেকে এবার বেকসুর খালাস হলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ কোর্টে মুক্তি পেলেন কেজরিওয়াল। এই মামলায় প্রায় ২ বছর পর জামিন পেলেন তিনি।  দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ২০২৪ সালের ২১ মার্চ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। কেজরিওয়ালের পাশাপাশি এই মামলা থেকে মুক্তি পেলেন দিল্লির প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ শিসোদিয়াও। ইডির মামলা থেকে তাঁকে গত ১৩ সেপ্টেম্বর মুক্তি দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

Continues below advertisement

আজ সিবিআইয়ের মামলা থেকে তাঁকে বেকসুর খালাস ঘোষণার পর আদালত চত্বরেই কান্নায় ভেঙে পড়েন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি বলেন, কেজরিওয়াল দুর্নীতি করেনি। "আমাদের উপর মিথ্যা মামলা করা হয়েছিল। আজ প্রমাণ হয়ে গিয়েছে কেজরিওয়াল সৎ, মণীশ শিসোদিয়া সৎ।"

এ দিন দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ কোর্ট থেকে বেরিয়েই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি বলে, "আমি সব সময় বলতাম সত্যের জয় সর্বত্র। ভারতের বিচার ব্যবস্থায় আমার সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে।"

Continues below advertisement

সংবাদমাধ্যমের সামনে নাম করে তিনি আবগারি দুর্নীতিকে স্বাধীন ভারতের সবচেয়ে বড় ষড়যন্ত্র বলে অভিহিত করেন। এর পিছনে কারা রয়েছে সেই কোথাও বলেন তিনি। "আম আদমি পার্টিকে শেষ করার জন্য পার্টির প্রথম সারির ৫ নেতাকে জেলে ঢোকানো হয়। এমনকি কুর্সিতে থাকা মুখ্যমন্ত্রীকে বাড়ি থেকে টেনে বের করে জেলে ঢোকানো হয়। শুধু একনেই শেষ নয়। ৬ মাস জেলে রেখে দেওয়া হয় তাঁকে। ভারতের ইতিহাসে এমন আগে কখনও দেখা যায়নি।"

 

 

কেজরিওয়াল মণীশ শিসোদিয়াকে নিয়েও বলেন। তিনি বলেন,"আমাদের তৎকালীন সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ শিসোদিয়াকেও প্রায় ২ বছর জেলে রেখে দেওয়া হয়। ২৪ ঘণ্টা খবরে চলত কেজরিওয়াল দুর্নীতিগ্রস্ত বলে...", বলতে বলতেই কেন্দ্র ফেলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে সান্তনা দিতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন মণীশ শিসোদিয়াও। তারপর তাঁকে বলতে শোনা যায়, "কেজরিওয়াল দুর্নীতি করেনি।"

"আমাদের উপর মিথ্যা মামলা করা হয়েছিল। আজ আদালতে প্রমাণ হয়ে গিয়েছে কেজরিওয়াল সৎ, মণীশ শিসোদিয়া সৎ। আম আদমি পার্টি সৎ", বলতে শোনা যায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির পর পরই দিল্লিতে নির্বাচন হয়। আর সেই নির্বাচনে হেরে যে আম আদমি পার্টি। জিতে সেই বছর দিল্লিতে সরকার তৈরি করে বিজেপি।