বেঙ্গালুরু: চিপসের প্যাকেটের ভিতর ছিল সারপ্রাইজ।  কিন্তু সেই সারপ্রাইজই প্রাণ কেড়ে নিল একরত্তির। চিপসের সঙ্গে মুখে চলে গেল ভিতরে থাকা ছোট্ট একটি বল। সেই বল গলায় আটকেই মৃত্যু হল শিশুটির। (Toy Ball Suffocates Baby)

Continues below advertisement

কর্নাটকের মহীশূর থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে। মৃত্যু হয়েছে মুকুন্দ ময়ূর নামের পাঁচ বছর বয়সি একটি বালকের। গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সহ-সভাপতি গৌরাম্মা এবং শঙ্কর নায়েকের পৌত্র মুকুন্দ। সন্তোষ এবং ঐশ্বর্যার একমাত্র সন্তান ছিল। (Karnata News)

আরও পড়ুন: সামান্য সরকারি কর্মী হয়ে ছেলেকে বিদেশে পড়ালেন কী করে? এবার অভিজিৎ দীপকের বাবার বিরুদ্ধে তদন্ত হবে?

Continues below advertisement

 জানা গিয়েছে, Kurkure-র একটি ছোট্ট প্যাকেট থেকে চিপস খাচ্ছিল মুকুন্দ। প্য়াকেটের ভিতর উপহার হিসেবে ছোট্ট প্লাস্টিকের বল রাখা ছিল। বুঝতে না পেরে চিপসের সঙ্গে বলটিও মুখে পুরে নেয় মুকুন্দ। আর তাতেই বিপত্তি ঘটে। 

বলটি মুকুন্দের গলায় আটকে যায়। শ্বাসকষ্ট শুরু হয় তার। শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে ছেলেটি। এই ঘটনায় স্থানীয় গ্রামীণ থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

আরও পড়ুন: মার খেতে হয়, হাতছাড়া বিয়ের গয়নাগাটিও, স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার মামলা নায়িকার

এর আগে, চলতি বছরের শুরুতে মহীশূরেই ছ’মাসের একটি শিশুর মৃত্যু হয়। বাড়িতে পুজোর পর শুকিয়ে যাওয়া জবা ফুল পড়েছিল। সেই ফুলটি মুখে পুরে দেয় শিশুটি। সেটি গলায় আটকে মারা যায় সে। 

পুলিশ জানিয়েছে, চিপসের প্যাকেটে সারপ্রাইজ উপহার হিসেবে বল রাখা ছিল। চিপসের সঙ্গে সেটিও মুখে পুরে দেয় শিশুটি। পরিবারের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। কোনও অপরাধমূলক মামলা দায়ের করেনি পুলিশও। পরিবারের সঙ্গে কথা বলছেন পুলিশের আধিকারিকরা। পরিবার চাইলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করা হবে।

পরিবারের অন্য় বাচ্চাদের সঙ্গে খেলছিল শিশুটি। তার শ্বাসকষ্ট হতে দেখে ছুটে আসেন বাকিরা। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বেসরকারি নার্সিংহোমে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি শিশুটিকে। 

২০২৫ সালে একটি সমীক্ষায় দেখা য়ায়, খেলনা গিলে ফেলায় ব্রিটেনে ওই বছরে ৩০০ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। ১০ জনের মধ্যে এক জনের অস্ত্রোপচারও করতে হয় সেখানে। ২০২১ সালেই সেখানে সতর্কতা জারি হয়েছিল, যাতে শিশুদের ছোট খেলনা বা চুম্বক নিয়ে খেলতে না দেওয়া হয়। তার পরও অহরহ এমন ঘটনা ঘটে।