‘লোভী ব্যবসায়ীরাই আসলে দেশের করোনাভাইরাস’, মাস্ক ও স্যানিটাইজারের কালোবাজারি নিয়ে ক্ষোভ বাংলাদেশের ক্রিকেটার রুবেলের
ওয়েব ডেস্ক, এবিপি আনন্দ | 21 Mar 2020 10:17 PM (IST)
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। ব্যতিক্রম নয় বাংলাদেশও। শনিবার বিকেল পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ২৪। এরমধ্যে মারা গিয়েছেন দুইজন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ জন।
ঢাকা: বিশ্বজুড়ে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। ব্যতিক্রম নয় বাংলাদেশও। শনিবার বিকেল পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ২৪। এরমধ্যে মারা গিয়েছেন দুইজন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ জন। দেশে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে মাস্ক ও স্যানিটাইজারের মতো প্রতিরোধকের আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের ফাস্ট বোলার রুবেল হোসেন। ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই ঘটনায় নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন রুবেল। এমন একটি বিপর্যয়ের সময় 'ঝোপ বুঝে কোপ মারা'র জন্য একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীদের তীব্র আক্রমণ করেছেন তিনি। ওই ব্যবসায়ীদের 'লোভী' আখ্যা দিয়েছেন রুবেল। এরসঙ্গে বলেছেন, এ ধরনের ব্যবসায়ীরাই 'আসলে দেশের করোনাভাইরাস'। ফেসবুক পোস্টে ছত্রে ছত্রে রুবেলের আক্ষেপ ঝরে পড়েছে। লোভী ও নির্মম জাতি আমরা, এভাবে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে পোস্টের শুরু করেছেন তিনি। রুবেল লিখেছেন, 'চায়নাতে এতো বড় একটা বিপর্যয় গেল মাস্কের দাম কমিয়ে দিল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান,কারণ তারা মানুষ। আর করোনার নাম শুনেই ৫ টাকার মাস্ক ৫০ টাকা,আর ২০ টাকার মাস্ক ১০০ থেকে ১৫০ টাকা! কারণ আমরা লোভী অমানুষ! শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি একাত্তরের সেই বীর সন্তানদের যাদের মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা পেয়েছি এই স্বাধীনতা। অথচ আজ কেন এই বিপর্যয় আমরা সবাই এক নই । কেন? মাস্ক, স্যানিটাইজার এবং মুদি বাজারের সমস্ত জিনিসপত্রের দাম বেড়েই চলেছে ধিক্কার জানাই ওই সমস্ত লোভী মুনাফাখোর ব্যবসায়ীদের যারা কৃত্রিম সংকট তৈরী করে দাম বাড়াচ্ছে তারাই আসলে দেশের করোনা ভাইরাস।' উল্লেখ্য, কোভিড-১৯ অতিমারির ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সহ অন্যান্য দেশেও মাস্ক ও স্যানিটাইজারের দাম অত্যন্ত চড়ে গিয়েছে। প্রথমসারির ব্র্যান্ডগুলির পণ্য বাজার থেকে উধাও হয়ে পড়েছে। এই ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ। সেদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন,নোভেল করোনোভাইরাসজনিত পরিস্থিতির অবনতি হলে বিভিন্ন সংকটের আশঙ্কাযুক্ত এলাকাগুলি লকডাউন করে দেওয়া হবে।