Iran Israel Conflict: ইরান ইজরায়েলে সংঘাতে সরাসরি জড়িয়েছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন ইরানের তিনটি পারমাণোবিক কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং ইজরায়েলের সেনাবাহিনীকে বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ট্রাম্প। আমেরিকার ইরানে হামলার পর জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানেই ট্রাম্প বলেন, ইজরায়েলের সেনা দারুণ কাজ করেছে। এর পাশাপাশি নেতানিয়াহুকে অভিবাদন জানিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, 'আমরা একটা দল হিসেবে কাজ করেছি। সম্ভবত এভাবে এর আগে কোনও দল কাজ করেনি। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি শেষ করার দিকে অনেকটা এগিয়েছি আমরা।'
আমেরিকার সেনাবাহিনীরও ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথায়, আমেরিকার দেশপ্রেমিকরা যেভাবে কাজ করেছেন, তা এর আগে কেউ কখনও করেনি। তিনি আশাবাদী আগামী দিনে হয়তো এই দেশপ্রেমিকদের পরিষেবা এবং ক্ষমতার আর প্রয়োজন হবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনা যেভাবে ইরানের অভিযান করেছে, বিশ্বের কেউ বহু দশক ধরে এমন মিশন দেখেনি।
অন্যদিকে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, 'আমেরিকা সত্যিই অতুলনীয়। পৃথিবীর অন্য কোনও দেশ যা করতে পারেনি তা করেছে। ইতিহাসে রেকর্ড থাকবে যে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক শাসনব্যবস্থা, বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক অস্ত্রকে অস্বীকার করার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, 'অভিনন্দন, রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অসাধারণ এবং ন্যায়নিষ্ঠ শক্তি দিয়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করার আপনার এই সাহসী সিদ্ধান্ত ইতিহাস বদলে দেবে।' নেতানিয়াহুর কথায়, অপারেশন রাইজিং লায়ন-এ, ইজরায়েল সত্যিই আশ্চর্যজনক কাজ করেছে, কিন্তু আমেরিকার, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলির বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপে এককথায় অনন্য।
ইরানের ওপর আমেরিকার হামলাকে স্বাগত জানাল ইজরায়েল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ধন্যবাদ ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর। 'ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা চালানোর মতো আপনার সাহসী সিদ্ধান্ত। আমেরিকার দুর্দান্ত সদর্থক মনোভাব ইতিহাসকে বদলে দেবে। অপারেশন রাইজিং লায়নও চমকপ্রদ কাজ করেছে। আজ রাতে আমেরিকা যেভাবে ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে, তা অতুলনীয়। পৃথিবীর আর কোনও দেশ এটা করতে পারেনি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিশ্বের সবথেকে বিপজ্জনক শাসনব্যবস্থা, বিশ্বের সবথেকে ভয়ঙ্কর অস্ত্রকে নস্যাৎ করে দিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে মধ্যপ্রাচ্যে সমৃদ্ধি এবং শান্তি ফিরবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং আমি প্রায়ই বলে থাকি, শক্তির মাধ্যমেই শান্তি আসে। প্রথমে শক্তি, তারপর আসে শান্তি।'