Continues below advertisement

Iran US Israel War : ইরান যুদ্ধ নিয়ে (Iran War) ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) এক বক্তব্যেই বুধবার বদলে গিয়েছে বিশ্ব বাজারের পরিস্থিতি। টানা দুদিন মারাত্মক পতনের পর এদিন দুরন্ত গতি দেখিয়েছে ইন্ডিয়ান স্টক মার্কেট (Indian Stock Market)। যদিও মার্কেট এক্সপার্টরা বলছেন, ফের থমকে যেতে পারে এই গতি। কারণ ইরান-আমেরিকা শান্তি আলোচনা নিয়ে নতুন করে সমস্য়া তৈরি হয়েছে। তেহরানের এক বক্তব্যে কাল ফের লাল হতে পারে সূচক।

আগে ইরান যুদ্ধ শেষ হওয়ার টাইমলাইন দিয়েছিলেন ট্রাম্পসম্প্রতি ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ শেষ হওয়ার সময় বেঁধে দিয়েছিলেন ট্রাম্প। যেখানে বলা হয়েছিল, আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যেই এই সংঘাত থেমে যাবে। জোর হলে আরও এক সপ্তাহ লাগতে পারে শান্তি স্থাপনে। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান হবে। 

Continues below advertisement

ইরান বলছে কমপক্ষে ৬ মাস চলবেযদিও মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য উড়িয়ে দিয়েছেন ইরান। দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আল জজিরাকে এক ইন্টারভিউয়ে জানিয়েছেন, তেহরান দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার খাতিরে দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত। আমেরিকা-ইজরায়েলের বিরুদ্ধে কমপক্ষে ৬ মাস যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে তারা। এক ধাপ এগিয়ে ইরানের বিদেশমন্ত্রী বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে শান্তি আলোচনার বিষয়ে কোনও দরাদরি শুরু হয়নি। যদিও মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফের থেকে তিনি যে বার্তা পাচ্ছেন তা স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। আরাঘচি আরও বলেছেন , কোনওভাবেই ভাববেন না কোনও আলোচনা শুরু হয়েছে। এই সব জল্পনা একেবারে ভিত্তিহীন। ইরান সরকারি ভাবেই সব আলোচনা করে।

কী থেকে এই সংঘাতের শুরুইজরায়েলের বিমান হানায় মারা যান ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। এরপর থেকেই আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে দেয় ইরান। মধ্য প্রাচ্যে বেছে বেছে আমেরিকার সেনা বেসে হামলা করা হয়। পরবর্তীকালে আরও ছড়িয়ে পড়ে এই যুদ্ধ। বিশেষ করে ইরানের জ্বালানি ভাণ্ডারে ইজরায়েল হামলা করে। বড় ক্ষতি হয় তেহরানের।  

সত্যিই বেঁচে আছেন খামেনেই ?ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকা যুদ্ধের মধ্যেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিমান হানায় হত্যা করা হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে। এরপরই ইরান ঘোষণা করে, দেশের পরবর্তী সুপ্রিম লিডার পদে বসবেন তাঁর ছেলে মোজতবা আলি খামেনেই। যদিও এখনও তাঁর বর্তমান অবস্থার বিষয়ে জানে না কেউ। মার্চ মাসের ১২ ও ২০ তারিখ তাঁর বিবৃতি সামনে আসে। যদিও সুপ্রিম লিডার পদে বসলেও তাঁকে প্রকাশ্য়ে দেখা যায়নি। ইরানের সরকারি মুখপাত্রের তরফে দেওয়া হয়েছিল সেই বিবৃতি। যা নতুন করে মোজতবার বেঁচে আছেন কিনা তা নিয়ে ধন্ধ তৈরি করেছে।