Jammu And Kashmir: জম্মু ও কাশ্মীরে ২ জায়গায় দু'টি এনকাউন্টারে খতম হয়েছে মোট তিনজন জঙ্গি। উধমপুরের বসন্তগড় এলাকায় জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার একটি গোপন ডেরার খোঁজ পেয়েছিল নিরাপত্তাবাহিনী। একটি গুহার মধ্যে ছিল জঙ্গিদের গোপন আস্তানা। সেখানে ২ জঙ্গিকে শেষ করতে সফল হয়েছে নিরাপত্তাবাহিনী। সেনা সূত্রে খবর, পাকিস্তান থেকে আসা একজন বেশ পরিচিত কমান্ডার মাভি গুলির লড়াইয়ে, সংঘর্ষে মারা গিয়েছে। অন্যদিকে আরেক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতোয়ার জেলায়। 

৩ ফেব্রুয়ারি নিরাপত্তাবাহিনী শুরু করেছিল অপারেশন 'কিয়া'। জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশের থেকে নিরাপত্তাবাহিনী খবর পেয়েছিল এলাকায় লুকিয়ে রয়েছে জইশ-ই-মহম্মদের জঙ্গিরা। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের একটি দল, CIF Delta- র একটি দল এবং White Knight Corps (16 Corps)- এর আওতাধীন সেনাবাহিনীর একটি দল ও সিআরপিএফ জওয়ানদের একটি দল একত্রিত হয়ে ওই জইশ জঙ্গিদের খুঁজে বের করে নিঃশেষ করার কাজ শুরু করে। উধমপুরের বসন্তগড় এলাকায় জোপহার জঙ্গলে শুরু হয় নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযান। ঘন জঙ্গলের মধ্যে ক্যামেরা লাগিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল স্নিফার ডগদের। জঙ্গিদের উপস্থিতি টের পেতেই সাহায্য নেওয়া হয়েছিল এই প্রাণীদের। 

প্রায় সারারাত ধরে গুলির লড়াই চলেছে ওই জঙ্গলে। একাধিকবার rocket propelled গ্রেনেড ছুড়েছে নিরাপত্তাবাহিনী। যে গুহার মধ্যে জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর পাওয়া গিয়েছিল, সেই গোপোন আস্তানার মুখ লক্ষ্য করেই গ্রেনেড ছোড়া হয়েছিল নিরাপত্তাবাহিনীর তরফে। ২ জঙ্গিকে (কমান্ডার) খতম করতে সক্ষম হয়েছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। এম৪ রাইফেল, একে ৪৭, প্রচুর পরিমাণে গোলা-বারুদ, বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে ওই ২ জঙ্গির থেকে। 

White Knight Corps- এর তরফে এক্স মাধ্যমে জানানো হয়েছে এই অভিযানের কথা। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, অভিযান সফল হয়েছে। ওই এলাকায় এখনও চলছে নজরদারি। জানা গিয়েছে, প্রায় চারমাস ধরে এই এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছিল জঙ্গিরা। এখানে পাকাপাকি ভাবে ঘাঁটি গেড়ে এলাকায় নিজেদের প্রভাব বিস্তারের পরিকল্পনা ছিল জঙ্গিদের। অন্যান্য জায়গা থেকে সাহায্য জোগাড় করে শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছিল জঙ্গিরা। ফলে এই জঙ্গিদের মৃত্যু স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্যেও স্বস্তির খবর। গত ১৫ ডিসেম্বর ওই এলাকায় পুলিশের এক স্পেশ্যাল অফিসারের মৃত্যু হয়েছিল। অনুমান, জঙ্গিরাই ঘটিয়েছিল এই কাণ্ড।