কাশ্মীর :  কাশ্মীরের কিস্তওয়ারে জঙ্গি দমন অভিযানে নেমেছে নিরাপত্তাবাহিনী। কিশতোয়ারের ডোলগাঁওয়ে চলছে জোরদার গুলির লড়াই। এদিন সকালে অভিযান চলাকালীন জঙ্গিদের ঘিরে ফেললে নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দিয়েছে নিরাপত্তারক্ষা বাহিনী।

Continues below advertisement

শনিবার ভোরে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনী আবারও অভিযান শুরু করে। জঙ্গিদের শিকড় থেকে তুলে তুলে মারতে, গত ১৩ দিন ধরে চলছে  অপারেশন ত্রাশি। ১ ১৪তম দিনে প্রবেশ করল সেনার অ্যাকশন।  ভারতের গোয়েন্দা ও সেনারা সদা সতর্ক । গোয়েন্দা সূত্রে খবর পেয়ে, ভোর হওয়ার আগেই অ্যাকশন মোডে সেনা। হোয়াইট নাইট কর্পস, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে এই অভিযান চালাচ্ছে । সেনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জঙ্গিরা যাতে একজনও পালাতে না পারে, তাই ঘিরে ফেলা হয়েছে এলাকা।

গত ১৮ জানুয়ারি তুষারাবৃত অঞ্চলে অপারেশন ত্রাশি-১ অপারেশন শুরু করে সেনা। প্রতিকূল আবহাওয়া এবং দুর্গম এলাকায় অভিযান চালানো অত্যন্ত কঠিন।  এর ফলে সন্ত্রাসবাদীরা অনেক সময় পালাতে সক্ষম হয়। অভিযানের প্রথম দিনেই একজন প্যারাট্রুপার প্রাণ হারান এবং সাতজন সৈন্য আহত হন।

Continues below advertisement

অন্যদিকে, অন্যদিকে ভারতীয় গোয়েন্দাদের হাতে ধরা পড়ল এক পাক-চর। রাজস্থানের পোখরান থেকে ধরা হল এক বছর আঠাশের যুবককে।  পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা ভারতে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থেকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য পাচার করছে, বলে খবর ছিল গোয়েন্দাদের কাছে। বিশেষত সীমান্তের কাছাকাছি জায়গাগুলিতে বিশেষ নজর রাখা হয়। এরই মধ্যে গোয়েন্দাদের কাছে খবর আসে, রাজস্থানের পোখরানের এক ব্যক্তি সেনাবাহিনীর তথ্য চালান করছে।  নেডান গ্রামের বাসিন্দা ঝবারারাম পুত্র ভানা রামের গতিবিধি সন্দেহজনক ঠেকে ভারতীয় গোয়েন্দাদের কাছে  । এরপর আরও বেশি করে নজর রাখা শুরু হয়। দেখা যায়, এই লোকটি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে লাগাতার পাক হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।  এরপর তাকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ এবং মোবাইল ঘেঁটে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযুক্তকে পাক এজেন্সিগুলি হানিট্র্যাপ এবং অর্থের লোভ দেখিয়েছিল। এই লোভে পড়ে সে ভারতীয় সেনা বাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কিত অনেক গোপন তথ্য শেয়ার করছিল। শুধু তাই নয়, সে নিজের নামে নেওয়া  সিম কার্ডের ওটিপি পাক হ্যান্ডলারদের দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাক্টিভেট করায়, যা দেশ বিরোধী কার্যকলাপ করার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল।