ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বীরভূম: ইটভাটায় তাণ্ডব ও ৩০ লক্ষ টাকা লুঠের মামলায় খারিজ হয়ে গেল অনুব্রত মণ্ডলের আগাম জামিনের আর্জি। বোলপুরের ইটভাটা মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে FIR দায়ের করেছে শান্তিনিকেতন থানা। ২০২১-এর পুরনো মামলায় নতুন করে শুরু হয়েছে তদন্ত।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, তৃণমূলের নাম-প্রতীক ও তহবিলের রাশ থাকবে কার হাতে ? আজ কমিশনের সঙ্গে 'ঋতব্রত-তৃণমূল'-এর বৈঠক দিল্লিতে

Continues below advertisement

বিপদ কি আরও বাড়ল অনুব্রত মণ্ডলের? বীরভূমের একটি ইটভাটা লুঠের মামলায় আদালতে বড়সড় ধাক্কা খেলেন তিনি। অনুব্রত মণ্ডলের আগাম জামিনের আবেদন বাতিল করে দিল বীরভূম জেলা আদালত। বীরভূম জেলা আদালতের সরকারি আইনজীবী  মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, মঙ্গলবার অনুব্রত মণ্ডলের আগাম জামিনের জন্য আবেদন করা হয়েছিল জেলা জজ আদালতে।  সব দিক খতিয়ে দেখে সেই আবেদন বাতিল করে দিয়েছেন বীরভূম জেলা আদালতের বিচারক।  এই মামলায় ৩৭৯ ধারা-সহ একাধিক ধারা যুক্ত করা হয়েছে।  ঘটনার সূত্রপাত ২০২১-এর বিধানসভা ভোটের পরে।শুভেন্দু মণ্ডল নামে বীরভূমের একটি ইটভাটার মালিক অভিযোগ করেন,অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশেই তাঁর ভাটায় হামলা চালিয়ে ৩০ লক্ষ টাকার ইট লুঠ করা হয়। গোটা ঘটনার নেতৃত্ব দেন কঙ্কালিতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৎকালীন উপ-প্রধান ও তৃণমূল নেতা মামন শেখ। শুধু তাই নয়, তাঁকে ও তাঁর কর্মীদের খুনের চেষ্টাও হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন ইটভাটার মালিক। অভিযোগকারী ও ইটভাটার মালিক  শুভেন্দু মণ্ডল বলেছিলে, প্রায় ১০০-র উপর ট্রাক্টর ভাটাতে লুঠ করে।  তৃণমূল পার্টির অনুব্রত মণ্ডল ছিল মেন কালপ্রিট।আমার কর্মীদেরও মারধর করে। বন্দুক দেখিয়ে আমি তো নিজের জীবন নিয়ে বেরিয়ে চলে আসি। মামন শেখই নেতৃত্ব দিচ্ছিল ভাটার মধ্য়ে এসে। অভিযোগকারী ইটভাটার মালিকের দাবি, ২০২১-এ ইটভাটায় তাণ্ডব-কাণ্ডে শান্তিনিকেতন থানায় অভিযোগ করলেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। চলতি মাসে নতুন করে ফের অভিযোগ করেন তিনি।

অনুব্রত মণ্ডল-সহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে ৮টি ধারায় দায়ের করা হয় FIR.শান্তিনিকেতন থানায় মামলা রুজু হতেই গ্রেফতারি এড়াতে বীরভূম জেলা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু তাঁর আগাম জামিনের আবেদন বাতিল করে দিল বীরভূম জেলা আদালত। এবার কি তাহলে গ্রেফতার হতে পারেন অনুব্রত মণ্ডল? এর আগে ২০২৪ সালে গরু পাচার মামলায় দেড় বছর পর তিহাড় জেল থেকে মুক্তি পান অনুব্রত মণ্ডল।