দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বাসন্তীতে সেখানে BDO অফিসের পাশে, সোনাখালি কর্মতীর্থে ছিল SIR-এর শুনানি। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ের অনেকক্ষণ পর, শুনানি শুরু হয়। শুধু তাই নয়, অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও, শুনানিকেন্দ্রে নথি জমা দেওয়ার পর, কোনও রসিদ দেওয়া হচ্ছিল না। এ নিয়ে অশান্তি বাড়তে থাকে। এরপর শুরু হয় ভাঙচুর। তারপর তাণ্ডব। পুলিশের সামনেই ভেঙে ফেলা হয় শুনানিকেন্দ্রের চেয়ার-টেবিল। মাটিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে নথিপত্র।
আরও পড়ুন, হয়নি ডিভোর্স ! দ্বিতীয় বিয়ে হিরণের, শুনে কী প্রতিক্রিয়া স্ত্রী অনিন্দিতার ?
ফের SIR-এর শুনানিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা। এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বসন্তী। এখানেই উত্তেজনা ছড়ায়। এই এই কারণ... এই যে ভাঙচুর হয়েছে। এখনও চেয়ারের পায়া ভাঙা। বাসন্তীতে শুনানিতে ডাক পাওয়া ভোটার বলেন , অনেক লেটে চালু হয়েছে। ১১টার পরে চালু হয়েছে। যার জন্য় মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে গেছে। বাসন্তী শুনানিতে ডাক পাওয়া ভোটার বলেন, দেরির কারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। নাহলে হত না। ১১.২৩-এ এসেছিল (শুনানিতে)। আসার টাইম ছিল ৯টায়। আমাদের কাগজে আসার টাইম ৯টায়। এসেছে ১১.২৩-এ। কোনও স্লিপ দেয়নি। কিচ্ছু দেয়নি।
শুধু শুনানিকেন্দ্রে ভাঙচুরই নয়। টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে স্থানীয়দের একাংশ। পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, কত পরীক্ষা নেবেন বাঙালির? বাংলার মানুষের কত পরীক্ষা নেবেন? একবার SIR-এর নামে শুনানি করলেন। ঠিক আছে। ফর্ম ফিলাপ করালেন, ঠিক আছে। এরপর লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি করে, আবার লাইনে দাঁড় করাচ্ছে... বিজেপি কী পেয়েছে? ওদের বাবার চাকর আমরা? বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন,এই SIR-কে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস গোটা রাজ্য জুড়ে নৈরাজ্য তৈরি করছে। প্রত্যেকদিন BDO অফিসগুলিতে হামলা, আগুন লাগানো, অবৈধ পথ অবরোধ, BJP-র ক্যাম্পে হামলা এবং বিভিন্নভাবে এরা নৈরাজ্য করছে। আজও (মঙ্গলবার) সন্দেশখালি থেকে গোসাবা চারিদিকে হামলা আর সন্ত্রাস হয়েছে। এরইমধ্য়ে বাসন্তীতে দেখা যায় এই ছবি। শুনানিকেন্দ্রে চলে এসেছেন তৃণমূল নেতারা। বাসন্তী পঞ্চায়েত সমিতি সহকারী সভাপতি আতিয়ার সর্দার বলেন, সুপ্রিম কোর্ট বলছে, রিসিভ (কপি) দিতে হবে। আধিকারিকরা বলছে, রিসিভ (কপি) দেওয়ার অর্ডার পাইনি। উত্তেজনা শুরু হয়েছে ওই জায়গা থেকেই। ' পুলিশ যখন পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত হিমসিম খাচ্ছে.. তখন মাইকে শান্ত থাকার কথা বলছেন তৃণমূল নেতারা। বাসন্তী তৃণমূল নেতা রাজা গাজি বলেন, যে রায় দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত সাধারণ মানুষের জন্য় সেটা আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। আপনারা শান্তিপূর্ণভাবে শুনানির কাজ সম্পূর্ণ করবেন। কোনও বিশৃঙ্খলা করবেন না। অন্য়ের প্ররোচনায় পা দেবেন না।