কলকাতা: অমিত শাহের ৩ দিনের রাজ্য সফরের আজ শেষ দিন। আজ দিনভর ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। সকাল ১১টায় নিউ আলিপুরের 'সৌজন্য' অডিটোরিয়ামে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন অমিত শাহ।দুপুর দেড়টা নাগাদ, ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে 'মিউজিয়াম অফ ওয়ার্ডস'-এর প্রথম পর্যায়ের উদ্বোধন করবেন। বিকেল ৪টের সময়, নিউটাউনের কনভেনশন সেন্টার থেকে আমূলের নতুন প্ল্যান্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন অমিত শাহ। হাওড়ার সাঁকরাইলে গড়ে উঠবে এই কারখানা। বিকেলেই থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি তুঙ্গে, কী বলছে 'ঋতব্রত তৃণমূল' ? '...মূল মঞ্চে থাকবে না মমতার ছবি '

Continues below advertisement

তিন দিনের রাজ্য় সফরে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পশ্চিমবঙ্গে এসে পৌঁছন তিনি। আজ গোটা দিনে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। ১৮ তারিখসকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ প্রথমেই শিলিগুড়ির জুমাগাছ বর্ডারে গিয়েছিলেন তিনি। সীমা চৌকিতে প্রহরী সম্মেলনের পর দুপুর ২ টো নাগাদ উত্তরকন্য়ায় সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে রাজ্য়ের মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত ছিলেন।

অনুপ্রবেশ ঠেকাতে উত্তরকন্যার বৈঠকে একাধিক নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অনুপ্রবেশ ঠেকানো মোদি সরকারের কাছে অন্যতম চ্যালেঞ্জ। পশ্চিমবঙ্গে ভোটের আগেই এই কথা বারবার বলে এসেছেন বিজেপির নেতারা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, আমরা ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট এই নীতির মাধ্যমে খুঁজে খুঁজে এক একজন অনুপ্রবেশকারীকে বাংলার (পশ্চিমবঙ্গ) বাইরে পাঠানোর ব্যবস্থা করব। আর পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসতেই, এবার রাজ্যে এসে সীমান্তবর্তী নানা সমস্যা নিয়ে বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেখানে চিকেনস নেকের পাশাপাশি আলোচনা হল ত্রিস্তরীয় ফেন্সিং নিয়েও।  চিকেনস নেক বা শিলিগুড়ি করিডরের ওপর সবসময়ই নজর থাকে চিনের।আবার বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে যখন কট্টর ভারত বিরোধিতা শুরু হয়, তখন ছাত্র নেতা থেকে শুরু করে কট্টরপন্থী নেতাদের মুখে শোনা গেছে চিকেনস নেককে আলাদা করার হুমকি।আনসারুল্লা বাংলা টিম প্রধান  জসিমউদ্দিন রহমানি বলেন, আমরা সেভেন সিস্টার্সকে বলে দেব, চিনকে বলে দেব চিকেনস নেক বন্ধ করে দাও। ফলে স্বাভাবিকভাবেই চিকেনস নেকের নিরাপত্তা বাড়ানোর দিকেও নজর দিতে হয়েছে মোদি সরকারকে। এদিন উত্তরকন্যার বৈঠকে যে বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়। সূত্রের খবর,'চিকেনস নেক'কে কেন্দ্র করে পরিকাঠামো বাড়াতে অতিরিক্ত জমির প্রয়োজন জানিয়েছে SSB, ITBP.