কলকাতা:৩১ মার্চ মঙ্গলবার, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন টেনিস কিংবদন্তি লিয়েন্ডার পেজ। দিল্লিতে গিয়ে বিজেপির সদর দফতরে বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজেজুর উপস্থিতিতে পদ্মশিবিরে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। শনিবার একটি সাংবাদিক বৈঠক করে দেশের ক্রীড়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীকে আমি কথা দিয়েছি, বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম করব না'।
শনিবার, বিজেপি নেতা ও প্রাক্তন টেনিস খেলোয়াড় লিয়েন্ডার পেজ একটি সাংবাদিক বৈঠক থেকে জানালেন, ' আমি এই কঠিন লড়াই যুবদের জন্য, ক্রীড়ার জন্য লড়তে রাজি '। ' ২০৩৬-এ অলিম্পিক আনতে চাই আমরা, আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন মোদি '। ' গুজরাতে কমনওয়েলথ গেমসের দায়িত্ব আমার '। 'প্রধানমন্ত্রীকে আমি কথা দিয়েছি, বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম করব না'। আর এরপর শুরু হয় বিতর্ক।
পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়ার ভবিষ্যৎ ও পরিকাঠামো নিয়ে তিনি বলেন, ' প্রধানমন্ত্রীকে আমি সব কিছু খুলে বলেছি, বাংলাকে আমি বৃদ্ধাশ্রমে পরিণত হতে দেব না। পশ্চিমবঙ্গকে এবং পশ্চিমবঙ্গের ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যৎ গড়তে চাই। এটা আমার স্বপ্ন যে, বাংলার ছেলেমেয়ের ব্রেন ড্রেন হতে দেব না। ক্রীড়া ও ক্রীড়া শিক্ষার পাশাপাশি, পরিকাঠামো ও ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে পরিকল্পনা আছে। এর জন্য আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দেব, কারণ তিনি আমার কথা শুনেছেন।' 'অসম থেকে দিল্লি ফিরে প্রধানমন্ত্রী আমার সব কথা শুনলেন'।
সাংবাদিক বৈঠক থেকে যুবভারতীর মেসি কাণ্ড নিয়েও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, 'আমার দুঃখ হয়, পশ্চিমবঙ্গে মেসিকে অসম্মান করা হল। আমার পশ্চিমবঙ্গকে এত অসম্মান হতে হবে কেন?সৌরভদা, স্নেহাশিসদা বা কোনও খেলোয়াড় ক্রীড়া মন্ত্রী হলে এসব হত না'।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ৩১ মার্চ পদ্মশিবিরে যোগ দেওয়ার পর ভারতের স্পোর্টসকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। জানিয়েছিলেন খেলা নিয়ে তাঁর স্বপ্নের কথা। তিনি জানিয়েছিলেন, '' ৪০ বছর দেশের হয়ে টেনিস খেলেছি, এবার নতুন খেলার সুযোগ পেয়েছি। এবার দেশের মানুষের সেবা করার সুযোগ পাব। প্রধানমন্ত্রী মোদির খেলাে ইন্ডিয়ার যে প্রজেক্টে ও স্পোর্টস-এর উপর ফোকাস আছে, আমিও ঠিক তেমনভাবেই যুবসমাজের ওপর নজর দিতে চাই। ভারতে খেলার যে পরিকাঠামো আছে, আগামী ২০ বছর পরে তার রূপরেখা আরও উন্নত করাই আমার লক্ষ্য। স্পোর্টস এডুকেশনে ফোকাস রাখতে চাই আমরা। বাচ্চাদের যেন ক্রীড়া বিষয়ক চাকরি জোটে, সেদিকেই লক্ষ্য রাখতে হবে।''
