লখনউ: মাঝ আকাশে যাত্রীভর্তি বিমানে বাজ পড়ল। বাজ পড়ল ইন্ডিগোর বিমানে। তড়িঘড়ি জরুরি অবতরণ করতে হল। বিমানের নাকের অংশ একেবার তুবড়ে গিয়েছে। ভয়ঙ্কর সেই ছবি সামনে এসেছে। যাত্রীরা নিরাপদ রয়েছেন বলেই জানা যাচ্ছে। তবে গোটা ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ঘটনার সময় বিমানটি মাটি থেকে ১৭০০০ ফুট উপরে ছিল। সেইসময়ই বজ্রপাত হয়। (IndiGo Flight Hit by Lightning)

Continues below advertisement

বুধবার বিহারের পটনা থেকে উত্তরপ্রদেশের লখনউ যাচ্ছিল IndiGo-র বিমানটি। বিমানে সওয়ার ছিলেন ১০৪ জন যাত্রী। ছয় বিমানকর্মীও ছিলেন বিমানে। তীব্র শব্দে বাজ আছড়ে পড়ে বিমানের উপর। সেই অবস্থায় লখনউতেই জরুরি পরিস্থিতিতে অবতরণ করে বিমানটি। নির্ধারিত সময়ের আট মিনিট আগে মাটি ছোঁয়। বিমানের সকল যাত্রী এবং বিমানকর্মীরা নিরাপদ আছেন বলেই জানা যাচ্ছে। (Lightning Hits IndiGO Flight)

আরও পড়ুন: নক্ষত্রের 'শব' থেকে জন্ম, ফিনিক্স গ্রহের সন্ধান মিলল, সৌরজগতের ভবিতব্যও কি একই?

Continues below advertisement

জানা গিয়েছে, ১৭০০০ ফুট উপর দিয়ে উড়ছিল বিমানটি। সেই সময়ই বিমানের উপর বাজ পড়ে। বিমানটিকে আপাতত সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে গোটা ঘটনায়। কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, দেখা হচ্ছে খতিয়ে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছ থেকে ছাড়পত্র মিললে তবেই ফের পরিষেবা দেওয়া হবে ওই বিমানে। 

আরও পড়ুন: SIR নিয়ে কেন পথে নামছে না AIMIM, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চাইছে না কেন? আসাদউদ্দিন ওয়েইসি বললেন…

IndiGo-র 6E925 বিমানটি দুপুর ৩টে বেজে ১০ মিনিটে পটনা বিমানবন্দর ছাড়ে বিমানটি। বিকেল ৪টে বেজে ২০ মিনিটে পৌঁছনোর কথা ছিল লখনউ বিমানবন্দরে। জরুরি পরিস্থিতিতে বিকেল ৪টে বেজে ৫ মিনিটেই অবতরণ করতে হয়। জানা যায়, বাজ পড়েছে বিমানে। সেই অবস্থায় নিরাপদে বিমানটিকে অবতরণ করান পাইলট। তাঁর দক্ষতার জোরেই ভয়ঙ্কর বিপদ এড়ানো সম্ভব হল বলে মনে করা হচ্ছে।

ওই বিমানে চেপেই লখনউ থেকে গুজরাতের আমদাবাদ পৌঁছনোর কথা ছিল যাত্রীদের অনেকের। জরুরি অবতরণের পর যাত্রীদের বিমানবন্দরে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর বিকল্প বিমানের ব্যবস্থা করা হয় IndiGo-র তরফে। তাতে চেপেই সন্ধে ৬টা বেজে ২২ মিনিটে রওনা দেন যাত্রীরা। 

এর আগে, গত ১৯ জুন IndiGo-র আর একটি বিমানে বাজ পড়েছিল। কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়েছিল বিমানটি। ত্রিপুরার আগরতলার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা ছিল। বাজ পড়ার পর বিমানের পাওয়ার সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ১৪১ জন যাত্রী এবং ছয় বিমানকর্মীকে নামিয়ে অন্য বিমানে চাপিয়ে আগরতলা পাঠানো হয় সেবার। দুই গ্রাউন্ড স্টাফের ডাক্তারি পরীক্ষাও হয়। পরে ছেড়ে দেওয়া হয় হাসপাতাল থেকে।