কলকাতা: শুক্রবার সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যদিও ভোটমুখী ৫ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সেই তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে লকডাউনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে ফের প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসেছে পাল্টা জবাবও।
আরও পড়ুন, আজ প্রকাশিত হতে চলেছে দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা, নাম বাদ ৪০ শতাংশের, আর কত নাম ডিলিট?
গ্যাসের সমস্য়ায় জেরবার বহু মানুষ! এই কঠিন পরিস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ চলাকালীন জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সরববরাহ নিয়ে দেশ কতটা প্রস্তুত এবং কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে, তা নিয়ে শুক্রবার সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যদিও পশ্চিমবঙ্গ-সহ যে ৫ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে, নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে ওই রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের এই তালিকায় রাখা হচ্ছে না। সেই রাজ্যগুলির মুখ্যসচিবদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক হবে বলে সূত্রের খবর।আর এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির জন্য মোদি সরকারকেই লাগাতার আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছে বিরোধীরা। করোনার লকডাউনের কথা মনে করিয়ে নিয়ে নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
যুদ্ধ চলতে থাকলে তেলেরও সমস্য়া দেখা দেবে কি না, তা নিয়েও আশঙ্কায় ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। এরই মাঝে দাম বেড়েছে রান্নার গ্য়াস, বাণিজ্য়িক সিলিন্ডার, অটোর গ্যাস, ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজেলের। যার ফলে নিত্য়প্রয়োজনীয় প্রতিটি জিনিসের দাম বাড়ার আশঙ্কা!এই পরিস্থিতির জন্য় নরেন্দ্র মোদির ভুল বিদেশনীতিই দায়ী বলে বারবার দাবি করছে কংগ্রেস সহ বিরোধীরা। এই প্রেক্ষাপটেই প্রথমবার সংসদে এই নিয়ে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, আজ ভারতের কাছে ৫৩ লক্ষ মেট্রিক টনের চেয়েও বেশি স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ আছে। আর ৬৫ লক্ষ মেট্রিক টনের চেয়ে বেশি রিজার্ভের ব্যবস্থা করার জন্য দেশ কাজ করছে। আমাদের তেল কোম্পানিগুলির কাছে যে রিজার্ভ থাকে, সেটা আলাদা। চেষ্টা এটাই যে যেখান থেকে হোক, সেখান থেকে তেল ও গ্য়াসের সরবরাহ যেন চলতে থাকে।
কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেরা বলেছেন, আমরা আশা করেছিলাম যে প্রধানমন্ত্রী আজকে একটা প্রতিজ্ঞা করবেন। যে ভোট শেষ হয়ে যাওয়ার পরও না LNG-র দাম বাড়বে, না LPG-র বাড়বে, না পেট্রোলের, না ডিজেলের। এই প্রতিজ্ঞা এখনও পাওয়া গেল না। অন্তঃসারশূন্য কথাবার্তা বলে চলে গেলেন। বিরোধীরা বারবার দাবি করছে, ভারতের দীর্ঘদিনের পুরনো বন্ধু ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্য়ুর কড়া নিন্দা না করে, বড়সড় কূটনৈতিক ভুল করেছে মোদি সরকার। নরেন্দ্র মোদির বৈদেশির নীতি বড় বেশি ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইজরায়েল ঘেঁষা! এই দাবিও করছে বিরোধীরা।
