কলকাতা: প্রতি মাসের ১ তারিখেই নতুন গ্যাসের দাম প্রকাশিত হয়। আগামী ১ অক্টোবর থেকে LPG সংক্রান্ত নিয়মে বড় পরিবর্তন ঘটছে। রান্নার গ্যাস নিয়ে নতুন নিয়ম লাগু হচ্ছে পুজোর মাস থেকেই। নতুন নিয়ম অনুসারে, এবার ভর্তুকিতে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার পেতে বাধ্যতামূলক Biometric Aadhaar Authentication। এই সংযোগ করার নির্ধারিত সময়সীমা বহুদিন আগেই পার হয়ে গিয়েছে। তখনই বলা হয়েছিল, এই কাজ সময়ে শেষ না করলে পরে রান্নার গ্যাস পেতে সমস্যা হতে পারে। তবে হ্যাঁ গ্যাস পেতে সমস্যা হবে না, কিন্তু গ্যাসের দামের উপর সরকার যে ভর্তুকি দেয়, তা গ্রাহক পাবেন না। যাঁরা এখনও Aadhaar biometric authentication সম্পূর্ণ করেননি, তাঁরা ভর্তুকি দেওয়া মূল্যে LPG পাবেন না। 

Continues below advertisement

তবে যাঁরা ইতিমধ্যেই  আধার বায়োমেট্রিক অথেনটিকেশন করে ফেলেছেন (  Aadhaar biometric authentication )  তাঁদের নতুন করে কিছু করতে হবে না। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ২৭.৪৩ কোটি গ্রাহকের মধ্যে প্রায় ৮৯.৯ শতাংশ গ্রাহকের অথেনটিকেশন হয়ে গিয়েছে।

যাঁরা এখনও অথেনটিকেশন করে উঠতে পারেননি, তাঁরা Aadhaar biometric authentication করতে পারবেন LPG cylinder delivery-এর সময়। অথবা আপনার গ্যাস ডিসট্রিবিউটারের শো-রুমে গিয়ে নির্দিষ্ট mobile app-এর মাধ্যমে গ্যাস বুকিং করা যাবে।  Indane গ্রাহকরা IndianOil ONE, Bharatgas গ্রাহকরা HelloBPCL এবং HP Gas গ্রাহকরা HP PAY অ্যাপের মাধ্যমে আধার লিঙ্ক করতে পারবে। 

Continues below advertisement

দেশের বেশিরভাগ জায়গায় LPG সিলিন্ডারের সরকারি দামে কোনও বড় পরিবর্তন হয়নি। তবে উত্তরপ্রদেশের কিছু গ্রামীণ এলাকায় ১৯ কেজির কমার্শিয়াল LPG সিলিন্ডার সরকারি নির্ধারিত দামের তুলনায় প্রায় ২০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত কমে পাওয়া যাচ্ছে।

বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশের কুশীনগর জেলার কিছু এলাকায় এই ছবি দেখা যাচ্ছে। সেখানে ১৯ কেজির কমার্শিয়াল সিলিন্ডারের সরকারি দাম প্রায় ২,৯৪৬ টাকা। কিন্তু কিছু গ্যাস এজেন্সিতে সেটিই ২,৪০০ থেকে ২,৭০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। অর্থাৎ কোনও কোনও ক্ষেত্রে ক্রেতাদের ২০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত কম খরচ করতে হচ্ছে।

কেন কম দামে বিক্রি হচ্ছে কমার্শিয়াল LPG?

এই দাম কমার বিষয়টি কোনও দেশব্যাপী সরকারি মূল্যছাড় নয়। স্থানীয় স্তরে কিছু ডিলার বা এজেন্সির দেওয়া ছাড়ের কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

গ্রামীণ এলাকা ও ছোট শহরে রেস্তোরাঁ, হোটেল, চায়ের দোকান, মিষ্টির দোকান, ধাবা ও ক্যাটারিং ব্যবসার সংখ্যা এবং কমার্শিয়াল LPG-এর চাহিদা তুলনামূলকভাবে কম। ফলে কিছু এজেন্সির কাছে ১৯ কেজির সিলিন্ডারের স্টক জমে থাকতে পারে। সেই স্টক দ্রুত বিক্রি করার জন্যই কোনও কোনও জায়গায় কম দামে সিলিন্ডার দেওয়া হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।