মুম্বই: বারামতীতে বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। দুর্ঘটনায় মৃত্য়ু হল মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী ও NCP প্রধান অজিত পাওয়ার-সহ বিমানে থাকা ৫ জনেরই। তবে কীভাবে মৃত্যু? শেষ মুহূর্তে বিমানের অন্দরে ঠিক কী হয়েছিল? ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে DGCA. এই আবহে, সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে যথাযথ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি।

Continues below advertisement

ঠিক কীভাবে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল অজিত পাওয়ারের বিমান?

এদিকে, এই বিমান দুর্ঘটনার লাইভ ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যাচ্ছে যে টেক অফের কয়েক সেকেণ্ডের মধ্যেই ভেঙে পড়ে বিমানটি। ঠিক কীভাবে বিমান দুর্ঘটনাটি ঘটেছে তা পুরোটাই ধরা পড়েছে। রাবামতির গোজুবাভি গ্রাম পঞ্চায়েতের সিসিটিভিতে বিমান দুর্ঘটনার পুরো ঘটনাটি ধরা পড়েছে। পুণের রাবামতীতে মাটিতে আছড়ে পড়ে বিমানটি। মাটিতে আছড়ে পড়ার আগে কাত হয়ে গিয়েছিল বিমানটি।

Continues below advertisement

 

দুর্ঘটনাগ্রস্ত প্রাইভেট জেটে অজিত পাওয়ারের সঙ্গে ছিলেন ফ্লাইট অ্যাটেনড্যান্ট পিঙ্কি মালি। তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী বিদীপ যাদব, পাইলট-ইন-চার্জ সুমিত কপূর ও সেকেন্ড ইন কম্যান্ড সম্ভাবী পাঠক। প্রত্য়ক্ষদর্শী এক মহিলা জানিয়েছেন, ''বিমানটি বাতাসে কিছুক্ষণ ধরে ঘুরছিল। এটি একটু অস্থির মনে হচ্ছিল। অবতরণের জন্য রানওয়ের দিকে এগোনোর সময় বিমানটি মাটিতে জোরে আঘাত করে এবং বিস্ফোরণ ঘটে। একটি জোরে শব্দ হয়, যা আমাদের বাড়ি পর্যন্ত শোনা যায়।"

দুর্ঘটনার পর প্রথম বক্তব্যে শরদ পাওয়ার বলেন, "এর মধ্যে কোনও ষড়যন্ত্র নেই। এটা সম্পূর্ণ একটা দুর্ঘটনা। অজিত পাওয়ারের মৃত্যুতে মহারাষ্ট্রের বিরাট ক্ষতি হয়েছে। একজন দক্ষ নেতা আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। মহারাষ্ট্র আজ একজন মহান ব্যক্তিত্বকে হারাল। এই ক্ষতি কখনোই পূরণ করা যাবে না।" কয়েক দশক ধরে মহারাষ্ট্রের সমবায় আন্দোলন, গ্রামীণ রাজনীতি এবং মুম্বই ও দিল্লিতে ক্ষমতার সমীকরণ পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পাওয়ার পরিবার। ২০২৩ সালে এই পরিবারে ভাঙন ধরে। ওই বছর কাকার হাত ছেড়ে বিজেপির হাত ধরেন অজিত পাওয়ার। যার জেরে ভাঙন ধরে NCP তে। যদিও সম্প্রতি কাছাকাছি আসে NCP-র দুই শিবির। পুণে এবং পিম্পরি-ছিনছওয়াড পৌরনিগমের ভোটে উপলক্ষ্যে। এরপরই ঘটে গেল দুর্ঘটনা।