নয়া দিল্লি: পারিবারিক কলহ, পরকীয়ার এক মর্মান্তিক পরিণতি।  উত্তর প্রদেশের বাগপতে নিজের বাবাকেই ধারালো অস্ত্রে খুন করল ছেলে। শুধু তাই নয়, খুন করা মৃতদেহ কাছের জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। এমনটাই রবিবার জানিয়েছে পুলিশ।

অফিসারদের মতে, অভিযুক্ত বেদপাল পারিবারিক কলহের জেরে তার বাবা ঈশ্বরকে বেলচা দিয়ে গলা কেটে খুন করে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় সে অভিযোগ করে যে ঈশ্বরের তার পুত্রবধূর (বেদপালের স্ত্রী) সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক ছিল, যার ফলে সে এই খুন করেছে। 

বেদপাল আরও দাবি করেছেন যে, তাঁর বাবার সঙ্গে তাঁর বউয়ের অবৈধ  সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। তার বাবা পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন। দেখা যায় যে তার সমস্ত উপার্জন তার স্ত্রীকে দিয়ে দিয়েছিলেন। ব্যাঙ্ক ঋণের কিস্তি পরিশোধের জন্য আর্থিক সহায়তা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার জন্য, তিনি প্রথমে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

বাগপতের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এনপি সিং বলেন, "বাসুদ গ্রামের বাসিন্দা ঈশ্বর শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন এবং শুক্রবার সন্ধ্যায় তার ছেলে তাকে গলা কেটে খুন করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং নিহতের ছেলে নিজেই অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে"।

তবে তদন্তকারীরা সন্দেহ করেছিলেন যে ভুক্তভোগীর ঘনিষ্ঠ কেউ জড়িত। বেদপালকে ঘিরে সন্দেহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে, যার ফলে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পুলিশ সুপার এনপি সিং আরও বলেন, সে অপরাধ স্বীকার করে এবং কী উদ্দেশে এই কাজ করেছে তা জানিয়েছে। এ বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।                                                         

এর আগে উত্তরপ্রদেশে আরও একটি ঘটনা ঘটেছিল। শ্বশুরের সঙ্গে হোলি খেলতে ঘরে একেবারে তাঁর ঘরে ঢুকে পড়েছিল বউমা। বাড়িতে ছিল না কেউ। বউমার এহেন 'দুষ্টুমি' হাতেনাতে ধরেন শাশুড়ি। তারপরই ঘটলা মর্মান্তিক কাণ্ড। উত্তরপ্রদেশের বালিয়া জেলার ত্রিকলপুর গ্রামে এক ৩০ বছর বয়সী মহিলা তাঁর শাশুড়ির বকাঝকার পর বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।