নয়াদিল্লি: নতুন করে হিংসা ছড়ানোর জেরে মণিপুরের একাধিক জায়গায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। অশান্তি এড়াতে ইম্ফল পূর্ব, পশ্চিম, থৌবল, কাকচিং সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইম্ফল পূর্ব, পশ্চিম, থৌবল, কাকচিং এলাকায় চারজনের বেশি লোকের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কার্ফু জারি করা হয়েছে বিষ্ণুপুর এলাকায়।
বিক্ষোভের নামে আগুন জ্বলে ইম্ফলের রাস্তায়
সম্প্রতি মণিপুরে মেইতেই সংগঠনের পাঁচ স্বেচ্ছাসেবককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। মেইতেই গ্রুপ আরামবাই টেংগোলের সদস্যকে গ্রেফতার করে সিবিআই এর দুর্নীতি দমন শাখা। সিবিআই এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানিয়েছে, ২০২৩ সালে ঘটে যাওয়া মনিপুর হিংসার ঘটনায়,অভিযুক্ত নানা অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। তাই রবিবার তাঁকে ইম্ফল বিমানবন্দরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এরপর রাতে ইম্ফলের বিভিন্ন অংশে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভের নামে আগুন জ্বলে ইম্ফলের রাস্তায়। শহরের বিভিন্ন অংশে ব্যাপক তাণ্ডব চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ চলে বিক্ষোভকারীদের। ঘটনার প্রতিবাদে ১০ দিন মনিপুর বন্ধের ডাক দিয়েছে আরামবাই টেংগোল।
ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে
এরপরেই ইম্ফল সহ শহরের নানা জায়গায় , প্রধানত গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে নিরাপত্তা বাহিনী জোরদার করা হয়েছে। এরপরেই আর ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত নয় প্রশাসন। রাজ্যের ৫ জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আগামী ৫ দিনের জন্য। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা ধারা ১৬৩ এর অধীনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কারও হাতে ধারা অস্ত্র দেখেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
মণিপুরের ইস্যু নিয়ে সংসদে, কেন প্রধানমন্ত্রী মোদি এখনও কিছু বলছেন না? প্রশ্ন তুলে সরব বিরোধীরা
মণিপুরের অশান্তির ছোঁয়া লেগেছে সংসদেও কেন প্রধানমন্ত্রী মোদি এখনও কিছু বলছেন না? প্রশ্ন তুলে সরব বিরোধীরা মণিপুরের ইস্যু নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি জানানো হয়েছে। মূলত গত ফেব্রুয়ারিতে এমনই হিংসা ছড়িয়েছিল মনিপুরে। মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই ইস্তফা দিয়েছিলেন এন বিরেন সিংহ, যদিও তারপর রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়নি, রাশ ধরে রেখেছেন সেই রাজ্যের রাজ্যপাল।