Mother Killed Son: ৫ বছরের সন্তানকে মেরে ফেলেছিলেন মা ! এমনই নৃশংস ঘটনা ঘটেছিল মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে। এই ঘটনায় অবশেষে শাস্তি পেলেন অভিযুক্ত। ২০২৩ সালের ২৮ এপ্রিল ঘটেছিল এই ঘটনা। অবশেষে অভিযুক্ত জ্যোতি রাঠোরকে যাবজ্জীবনের সাজা শুনিয়েছে আদালত। আগেই জানা গিয়েছিল, পুলিশ কনস্টেবল ধ্যান সিং রাঠোরের স্ত্রী জ্যোতি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন প্রতিবেশী উদয় ইন্দোলিয়ার সঙ্গে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মায়ের এই সম্পর্কের কথা জেনে গিয়েছিল ছোট্ট যতীন। প্রতিবেশী উদয়ের সঙ্গে মা জ্যোতিকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেছিল ৫ বছরের ছেলেটা। জ্যোতি ভয় পেয়েছিলেন, হয়তো যতীন তার বাবাকে সব কথা বলে দেবে। আর এই কারণেই সাংঘাতিক পদক্ষেপ নেন জ্যোতি। নিজের সন্তানকে বাড়ির দোতলার ছাদ থেকে ঠেলে ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েছিল ছোট্ট ছেলেটা। কিন্তু এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে ৫ বছরের ছেলেটি।                         

Continues below advertisement

প্রাথমিক ভাবে গোটা বিষয়টাকে একটা দুর্ঘটনা হিসেবে ভাবা হয়েছিল। সেই ভাবেই সবটা সাজিয়েছিলেন জ্যোতি। ছাদ থেকে ঠেলে ফেলে দেওয়া হয়েছিল যতীনকে। তবে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। সত্য আর চাপা থাকেনি তদন্তকারীদের সামনে। অপরাধের ১৫ দিন পর অবশেষে জ্যোতি নিজের অপরাধ স্বীকার করেন তাঁর স্বামীর সামনে, এমনটাই জানা গিয়েছে। যতীনের বাবা ধ্যান সিং রাঠোর আগে থেকেই সন্দেহ করছিলেন যে তাঁর ছেলের মৃত্যুর পিছনে কোনও গন্ডগোল রয়েছে। এই সন্দেহের বশেই একাধিক অডিও এবং ভিডিও কথোপকথন রেকর্ড করেছিলেন ধ্যান সিং। সেখানেই জ্যোতি স্বীকার করে নেন গোটা ঘটনা। বাড়িতে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও সংগ্রহ করেছিলেন যতীনের বাবা ধ্যান সিং রাঠোর। এরপর সমস্ত তথ্যপ্রমাণ নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন যতীনের বাবা। জ্যোতির নামে অভিযোগ দায়ের করেন।                      

এই গোটা ঘটনায় জ্যোতির সঙ্গে সম্পর্ক থাকা প্রতিবেশী উদয়ের নামও জড়িয়েছিল। কিন্তু চার্জশিট পেশ হওয়ার পর আদালতে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে জ্যোতিকেই দোষী সাব্যস্ত করা হয়। যাবজ্জীবনের সাজা পেয়েছেন যতীন রাঠোরের মা জ্যোতি। অন্যদিকে, তথ্যপ্রমাণের অভাবে উদয় ছাড়া পেয়ে যান।                                

Continues below advertisement