নয়াদিল্লি: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর। রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়ালের নির্দেশ মেনে রেলমন্ত্রকের তৈরি 'উদ্ভাবনীমূলক টাইমটেবলিং' অনুসারে জনপ্রিয় ট্রেনগুলির যাত্রার সময় ১৫ মিনিট থেকে ২ ঘন্টা কমানোর ব্যবস্থা হয়েছে।

এই প্রয়াসের অঙ্গ হিসাবে এবার ৫০০-র বেশি দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রার সময় ২ ঘন্টা পর্যন্ত কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় রেল। ট্রেনগুলি আগের চেয়ে জোরে ছুটবে।

রেলওয়ের নভেম্বরের টাইমটেবলে নয়া সময়সূচি আপডেট করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রকের জনৈক শীর্ষ কর্তা। নতুন সময়সূচির আওতায় রেলের প্রতিটি ডিভিশন ২ থেকে ৪ ঘন্টা সময় পাবে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চালানোর জন্য।

ওই অফিসার বলেন, বর্তমান রোলিং স্টক সবচেয়ে বেশি কাজে লাগানোই আমাদের প্ল্যান। ধরা যাক, কোনও ট্রেন কোথাও ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে। সেই সময়ে ট্রেনটা ব্যবহার করা যায়। নতুন টাইমটেবলে এমন প্রায় ৫০টি ট্রেন এভাবে চলবে। ৫১টি ট্রেন শীঘ্রই এক থেকে তিন ঘন্টা কম সময়ে চলবে। ক্রমশ বাড়তে বাড়তে ৫০০-র বেশি ট্রেনের সময়সীমা কমে যাবে।

প্রসঙ্গত, রেলমন্ত্রক এর মধ্যেই অভ্যন্তরীণ অডিটের প্রক্রিয়া শুরু করেছে যাতে মেল ও এক্সপ্রেস মিলিয়ে ৫০টি ট্রেনকে সুপারফাস্ট করা হবে। চলতি ট্রেনগুলির গড় স্পিড বাড়ানোর জন্য রেল গোটা সিস্টেম বদলাচ্ছে।

জানা গিয়েছে, ভোপাল-যোধপুর এক্সপ্রেস এবার ৯৫ মিনিট আগে গন্তব্যে পৌঁছবে। গুয়াহাটি-ইন্দোর স্পেশালের ২৩৩০ কিমি যাত্রাপথ পূর্ণ হবে ১১৫ মিনিট আগে, গাজিপুর-বান্দ্রা টার্মিনাস এক্সপ্রেস ১৯২৯ কিমি পথ ৯৫ মিনিট আগে শেষ করবে।

স্টেশনে স্টেশনে ট্রেন থামার পর দাঁড়িয়ে থাকার সময়ও কমিয়েছে। পাশাপাশি যেসব স্টেশনে যাত্রীসংখ্যা এমনিতেই কম, সেখানে অনেক সময় ট্রেন থামবে না।

রেল সূত্রে খবর, রেললাইন ও পরিকাঠামোর মান উন্নত করা হচ্ছে। স্বয়ংক্রিয় সিগন্যালিং ব্যবস্থা চালু হবে। নতুন এমন এক ধরনের কোচ আসছে যার ফলে ট্রেনের গতি বাড়িয়ে ঘন্টায় ১৩০ কিমি পর্যন্ত তুলে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।