নয়াদিল্লি: বাটলা হাউস এনকাউন্টার মামলায় ওয়ান্টেড ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন জঙ্গি ধরা পড়ল প্রায় ১০ বছর ধরে খোঁজাখুঁজির পর। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল চারদিন আগে গ্রেফতার করেছে আরিজ ওরফে জুনেইদ নামে ওই জঙ্গিকে। জেরার জন্য তাকে দিল্লি নিয়ে আসা হয়েছে। তাকে আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নিতে চাইবে স্পেশাল সেল। ওই এনকাউন্টারের পর জুনেইদ নেপাল পালিয়ে গিয়েছিল। দেশের বিভিন্ন শহরে পাঁচটি পৃথক বিস্ফোরণের মামলায়ও তাকে খুঁজছিল পুলিশ। গত মাসে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন আবদুল সুভান গ্রেফতার হয়। তার কাছ থেকেই জুনেইদের গতিবিধি সম্পর্কে বিস্তারিত খবর পায় পুলিশ। ২০০৮ সালে ওই জঙ্গি গোষ্ঠীর কোর টিমের একজন ছিল সে। আমদাবাদ, দিল্লি, বেঙ্গালুরু সমেত বেশ কয়েকটি জায়গায় দফায় দফায় বিস্ফোরণে যুক্ত ছিল ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন। ওদের ৫টি বিস্ফোরণের প্রেক্ষাপটে বাটলা হাউসে অভিযান চালায় পুুলিশ। সেখানে মহম্মদ আতিফ আমিন, মহম্মদ সাজিদ ও জুনেইদ রয়েছে বলে খবর ছিল তাদের কাছে। পুলিশের গুলিতে খতম হয় প্রথম দুজন, তবে চম্পট দেয় জুনেইদ। দিল্লি পুলিশের এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট মোহন চাঁদ শর্মা সংঘর্ষে নিহত হন। দিল্লির জামিয়া নগরে ২০০৮ এর ১৯ সেপ্টেম্বর হয় ওই এনকাউন্টার। ২০১৩ র জুলাইয়ে নিম্ন আদালত ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন জঙ্গি শাহজাদ আহমেদকে ওই এনকাউন্টারের ব্যাপারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পেশ করা আবেদনটি এখন হাইকোর্টে বিবেচনাধীন রয়েছে। দিল্লি পুলিশের দাবি, জুনেইদের গ্রেফতারি গুরুত্বপূর্ণ ব্য়াপার কেননা জঙ্গি গোষ্ঠীটিকে ভাল মতো বুঝতে সে সাহায্য করতে পারে। সুভান গ্রেফতার হওয়ার পর পুলিশকে জানিয়েছিল, ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনকে চাঙ্গা করতে সে নেপাল থেকে এসেছে। দেশ থেকে পালানো আরও অনেকের সঙ্গে তার যোগ আছে।