গুয়াহাটি: দুয়ের বেশি সন্তান থাকলে এবার থেকে সরকারি চাকরির আশা ছাড়তে হবে। এমনটাই জানিয়ে দিল অসমের সর্বানন্দ সোনোওয়াল সরকার। বিয়ের বয়স হওয়ার আগেই যাঁরা বিয়ে করেছেন, সরকারি চাকরি পাবেন না তাঁরাও। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, নতুন এই জনসংখ্যা নীতির খসড়া তৈরি করেছেন তাঁরা। এই নীতির মূল লক্ষ্য হল, দারিদ্র্যসীমার নীচে থাকা মানুষের জীবনের মানোন্নয়ন ঘটানো, শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনা, প্রসূতি মৃত্যু কমিয়ে আনা ইত্যাদি।
এ দেশে ২ সন্তান নীতি থাকলেও তা কঠোরভাবে মানা প্রায় হয়ই না। পাশাপাশি বিয়ের জন্য পুরুষদের ক্ষেত্রে আইনসম্মত বয়স ২১ বছর, মহিলাদের ক্ষেত্রে ১৮ বছর। নিয়ম লঙ্ঘন করে ধরা পড়লে ঝুলছে শাস্তির খাঁড়া। নয়া নীতির খসড়া আরও বলছে, দুয়ের বেশি সন্তান থাকলে পুরসভা বা পঞ্চায়েত ভোটে দাঁড়ানো যাবে না। অসমে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার বাংলাভাষী মুসলিম জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য এই নীতি নির্ধারণ করল বলে মনে করা হচ্ছে। এই জনসংখ্যার বেশিরভাগই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বলে অভিযোগ। বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, ক্রমাগত অনুপ্রবেশের ফলে সীমান্তবর্তী এই রাজ্যের জনঘনত্ব বিপজ্জনকভাবে বদলে গিয়েছে।