পটনা: বিহার বোর্ডের টপার কেলেঙ্কারির ঘটনায় গ্রেফতার ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার তৃতীয় স্থানাধিকারী। রাহুল কুমার নামে বিষ্ণু রাই কলেজের ওই পড়ুয়াকে গ্রেফতার করে পটনা পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল। ফ স্পেশাল তদন্তকারী টিমের সিটি সুপার চন্দন কুশওয়াহা জানিয়েছেন, আজমপুরে এক আত্মীয়র বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় রাহুলকে। টপার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় আদালত। কুশওয়াহা জানিয়েছেন, রাহুলকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, র‌্যাঙ্ক পাওয়ার জন্য তার সঙ্গে ৫ লক্ষ টাকার চুক্তি হয়েছিল। রাহুলকে নিয়ে ওই কলেজের ৪ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়। বাকিরা হল শালিনী রাই, সৌরভ শ্রেষ্ঠ, রুবি রাই। শালিনী ও সৌরভ এখনও জেলবন্দি রয়েছে। ২৫ জুন ইন্টারমিডিয়াম পরীক্ষার বিতর্কিত প্রথম স্থানাধিকারী রুবি রাইকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে বিহার স্কুল এক্সামিনেশন বোর্ডের ফের একটি পরীজ্ঞায় বসার জন্য জামিনে ছাড়া পায় সে। প্রসঙ্গত, এ বছর দ্বাদশ শ্রেণির হিউম্যানিটিজ শাখায় প্রথম স্থানাধিকারী রুবি স্থানীয় টিভি চ্যানেলে ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে বলে, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে রান্নাবান্না শেখানো হয়। ‘পলিটিক্যাল’ সায়েন্সকে সে উচ্চারণ করে ‘প্রডিকাল সায়েন্স’ এছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে তার পাণ্ডিত্যের বহর দেখে চোখ কপালে ওঠে অনেকেরই। এরপরই বোর্ডের পরীক্ষা কেলেঙ্কারি নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়। গ্রেফতার করা হয় রুবিকে। যদিও সোমবার জামিনে ছাড়া পায় সে। এখনও পর্যন্ত বিহার টপার কেলেঙ্কারিতে বিএসইবি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান লালকেশর প্রসাদ সিংহ, তাঁর স্ত্রী এবং প্রাক্তন বিধায়ক উষা সিনহা, বিষ্ণু রায় কলেজের সেক্রেটারি তথা প্রিন্সিপাল বাচ্চা রাই সহ তিন ডজনেরও বেশি গ্রেফতার হয়েছে।