নয়াদিল্লি: গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী আনন্দীবেন পটেলকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। বিজেপি সূত্রে এমনই জানা গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ এ বিষয়ে আলোচনা করছেন। আনন্দীবেনকে কোনও একটি রাজ্যের রাজ্যপাল করা হতে পারে। নতুন মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে গুজরাতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী নীতীনভাই পটেল।   আগামী বছর প্রধানমন্ত্রীর নিজের রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। স্বভাবতই এটি মোদীর কাছে সম্মানের লড়াই। তার আগে এই গুজরাতে বিজেপি-র অবস্থা মোটেই আশাজনক নয়। গত বছরের অগাস্ট থেকে শুরু হওয়া ‘পতিদার’ আন্দোলনের জেরে বেশ চাপে পড়ে গিয়েছে রাজ্য সরকার।   পটেলদের সংরক্ষণের দাবিতে এই আন্দোলনের ‘মুখ’ হার্দিক পটেলকে দেশদ্রোহের দায়ে প্রায় সাত মাস ধরে জেলে বন্দি করে রাখা হয়েছে। কিন্তু তাতেও নিশ্চিন্ত হতে পারছে না বিজেপি।   সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ওম মাথুর আনন্দীবেনের বিরুদ্ধে রিপোর্ট দিয়েছেন। তিনি জরুরি ভিত্তিতে সরকার ও দলের কাঠামোয় বদলের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন। সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রী নিজে যাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসিয়েছিলেন, তাঁকেই সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। এভাবেই প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার হাওয়া দূরে সরিয়ে দিতে চায় কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসক দল।   বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপি সভাপতির সঙ্গে দু বার বৈঠক করেছেন মাথুর। নীতীনভাই ও আনন্দীবেনের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে মোদীর। অমিত শাহ ঘন ঘন গুজরাতে যাচ্ছেন। নির্বাচনের আগে দল যাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারে তা নিশ্চিত করতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপি সভাপতি।