দলত্যাগ ঠেকাতে গুজরাত কংগ্রেসের ৪০ বিধায়ককে পাঠানো হল বেঙ্গালুরু
ওয়েব ডেস্ক, এবিপি আনন্দ | 29 Jul 2017 10:53 AM (IST)
নয়াদিল্লি: রাজ্যসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, গুজরাতে তত বেশি দুর্বল হয়ে পড়ছে কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার তিন বিধায়ক দল থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর, শুক্রবার, ফের দুই কংগ্রেস বিধায়ক দল থেকে ইস্তফা দেন। এরফলে সবমিলিয়ে গুজরাতে এখনও পর্যন্ত পাঁচজন কংগ্রেস বিধায়ক দল ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন। এক এক করে দলীয় বিধায়ক দলত্যাগী হওয়ায় মহা সমস্যায় পড়েছে কংগ্রেস। অবশেষে দলীয় বিধায়কদের দলত্যাগ ঠেকাতে শুক্রবার রাতে কংগ্রেস ৪০ বিধায়ককে গুজরাত থেকে বেঙ্গালুরু উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সূত্রের খবর, আরও চার বিধায়কের আমদাবাদ থেকে বেঙ্গালুরু উড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে যেসমস্ত বিধায়করা গত কয়েকদিনে দল ছেড়ে বেরিয়ে গেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে দল, দাবি কংগ্রেস মুখপাত্র অভিষেক সিঙভির। এমনকি সাময়িকভাবে দলের সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেওয়া দলত্যাগেরই সামিল, মন্তব্য কংগ্রেস মুখপাত্রর। সিঙভির দাবি, হয়তো যাঁরা এই দল ভাঙানোর মূল চক্রী, তাঁরা আপাতত বিধায়কদের পরবর্তী নির্বাচনে লড়ার টিকিট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু যে সমস্ত বিধায়করা আচমকা এভাবে দলত্যাগী হলেন, তাঁরা হয়তো বুঝতে পারছেন না, দলবিরোধী কার্যকলাপ ও অন্য পার্টিকে সাহায্যের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়াই যায়। পেশায় আইনজীবী সিঙভির দাবি, দলত্যাগ, কোনও ভোট না দেওয়া বা ক্রস ভোটিং, পুরোটাই আইনের চোখে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। প্রসঙ্গত, বিধায়কদের ইস্তফায় সংসদেও সরব হয়েছে কংগ্রেস। এমনকি পুনাভাই গমিত নামের এক বিধায়কের কথা উল্লেখ করে কংগ্রেস দাবি করেছে, তাদের দলের এই বিধায়ককে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়েছে দশ কোটি টাকার বিনিময়। তাঁকে এবিষয়ে প্রভাবিত করেছেন এক প্রবীণ পুলিশ আধিকারিক। দিল্লিতে সিঙভি তাঁর বক্তব্যে জানিয়েছেন, বিজেপি গণতন্ত্রকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কার্যত টাকা, ক্ষমতা এবং প্রভাব খাটিয়ে ভাঙনের রাজনীতি শুরু করেছে গোয়া, মণিপুর, উত্তরাখণ্ড এবং অরুণাচল প্রদেশে।