সুষমা আজ জানান, প্রায় তিন বছর আগে অপহৃত ৩৯ পণবন্দিকেই আইসিস মেরে ফেলেছে, তাদের মৃতদেহও পাওয়া গিয়েছে। এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, সরকার ভারতীয়দের পরিণতি কী হল, জানার চেষ্টা করছে। এজন্য ডিএনএ পরীক্ষাও করা হয়। ভারতীয়রা ২০১৪-য় ইরাকের এক কারখানায় কাজ করছিলেন বলে জানান হরজিত। বলেন, সন্ত্রাসবাদীরা আমাদের অপহরণ করে কয়েকদিন পণবন্দি করে রাখে। যেদিন মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে, সেদিন তাঁদের হাঁটু মুড়ে বসতে বাধ্য করে সন্ত্রাসবাদীরা গুলি করে মারে বলে জানান তিনি। বলেন, ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকায় আমার উরুতে বুলেট ঢুকে গেলে অজ্ঞান হয়ে গেলেও প্রাণে রক্ষা পাই। পরে আইসিসের চোখে ধুলো দিয়ে আঘাত নিয়েও ভারতে পালিয়ে আসেন তিনি। আইসিসের হাতে নিহত ৩৯ ভারতীয়দের মধ্যে অনেকেই গিয়েছিলেন অমৃতসর, গুরদাসপুর, হোসিয়ারপুর, কাপুরথালা ও জলন্ধর থেকে। ৩ বছর ধরেই বলে যাচ্ছি, ৩৯ জনকেই মেরে ফেলেছে আইসিস, পরিবারগুলিকে বিভ্রান্ত করেছে সরকার! বললেন একমাত্র জীবিত
Web Desk, ABP Ananda | 20 Mar 2018 04:02 PM (IST)
চন্ডীগড়: গত তিন বছর ধরে আমি বলে চলেছি যে, ইরাকের মসুলে ৩৯ ভারতীয়ের সবাইকেই আইসিস মেরে ফেলেছে! বললেন হরজিত মাসিহ নামে সেই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি আইসিসের কবল থেকে কপাল জোরে পালিয়ে আসতে পেরেছিলেন। ২০১৪-র মসুলে আইসিসের হাতে অপহৃত সেখানে রুজির টানে যাওয়া ৪০ জন ভারতীয়দের মধ্যে তিনিও ছিলেন। বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ যেদিন সংসদে ৩৯ জনেরই সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীটির হাতে নিহত হওয়ার খবর সরকারি ভাবে ঘোষণা করলেন, সেদিনই হরজিত বলেছেন, আমার চোখের সামনেই ওদের হত্যা করা হয়। এতদিন এটাই তিনি বলে যাচ্ছিলেন, কিন্তু তাঁর কথা কেন সরকার এপর্যন্ত স্বীকার করেনি, তাতেই বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি। সরকার ওই পরিবারগুলিকে বিভ্রান্ত করেছে, অভিযোগ করেন তিনি। পঞ্জাবের গুরদাসপুরের কালা আফগানা গ্রামের বাসিন্দা হরজিতের কথায়, আমি সত্যিটাই বলেছিলাম।