পাকিস্তানের সামরিক আদালত কুলভূষণকে ২০১৭-র এপ্রিল শেষ হওয়া বিচারে চরবৃত্তি, সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেয়। ২০১৭- মে মাসে এর বিরোধিতা করে আইসিজে-র দ্বারস্থ হয় ভারত। আইসিজে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করায় স্থগিতাদেশ দেয়। ভারতের আবেদন গ্রহণে পাকিস্তানের আপত্তি উড়িয়ে ৪২ পৃষ্ঠার রায়ে আইসিজে জানায়, কুলভূষণের সাজার রায় খতিয়ে দেখতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা স্থগিত রাখতেই হবে। যদিও পাক সামরিক আদালতের মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল, কুলভূষণের মুক্তি ও ভারতে নিরাপদে ফেরানোর দাবি মানেনি আইসিজে-র বেঞ্চ। পাকিস্তান ১৯৬৩-র কনস্যুলেট সম্পর্ক সংক্রান্ত ভিয়েনা কনভেনশন এই মামলায় ভেঙেছে, ভারতের এই অবস্থান ১৫-১ ভোটের রায়ে তুলে ধরেছে আইসিজে। রভিশ কুমার বলেন, পাকিস্তানকে বলা হয়েছে যাদবকে কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধা দিতে। তাদের এটা করতে হবেই। তিনি আরও বলেন, স্পষ্টতই এই মামলার রায় নিয়ে আইসিজে-র প্রেস বিবৃতিতে আটটি পয়েন্ট উল্লেখ করা হয়েছে এবং সবগুলি থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে, রায় ভারতের পক্ষে গিয়েছে। খোলাখুলি বলতে গেলে আমার মনে হয়, ওরা সম্পূর্ণ অন্য একটা রায় নিয়ে কথা বলছে। মূল রায়টি ৪২ পৃষ্ঠার। ৪২ পৃষ্ঠা পড়ে দেখার ধৈর্য্য না থাকলে ওরা প্রেস বিবৃতিটা পড়ে দেখুক, যেখানে প্রতিটি পয়েন্টই ভারতের অনুকূলে গিয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান আইসিজে-র নির্দেশ না মানলে কী হতে পারে, জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, আইসিজে স্পষ্ট বলেছে, তাদের রায় চূড়ান্ত, মানতেই হবে, পাল্টা কোনও আবেদন করা যাবে না। কুলভূষণ-রায়: ইসলামাবাদের নিজের দেশবাসীকে ‘মিথ্যা বলা’র বাধ্যবাধকতা রয়েছে, বলল ভারত
Web Desk, ABP Ananda | 18 Jul 2019 08:35 PM (IST)
তিনি আরও বলেন, স্পষ্টতই এই মামলার রায় নিয়ে আইসিজে-র প্রেস বিবৃতিতে আটটি পয়েন্ট উল্লেখ করা হয়েছে এবং সবগুলি থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে, রায় ভারতের পক্ষে গিয়েছে।
নয়াদিল্লি: কুলভূষণ যাদব ইস্যুতে আন্তর্জাতিক ন্যয় আদালত (আইসিজে) পাকিস্তানকে চাপে ফেলে দিলেও পড়শী দেশের দাবি, তাদের জয় হয়েছে। কুলভূষণকে মুক্তি দিতে বলেনি, ফলে তাদের কাছে আদালতের গতকালের রায় ধাক্কা নয়, এমনই ব্যাখ্যা করছে পাকিস্তান। পাল্টা আজ পাকিস্তানকে আইসিজে-র রায় কার্যকর করে অবিলম্বে তাদের জেলে বন্দি প্রাক্তন ভারতীয় নৌ অফিসারকে ভারতীয় কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুমতি দিতে বলল ভারত। নয়াদিল্লির দাবি, ভারতের অবস্থানই পুরোপুরি সঠিক প্রমাণ হয়েছে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে। পাকিস্তানের সাফল্যের দাবি খারিজ করে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রভিশ কুমার বলেন, এই মামলায় আইসিজে-র রায় পুরোপুরি ভারতের অবস্থানের বৈধতাকে তুলে ধরেছে। ইসলামাবাদের নিজের দেশবাসীকে ‘মিথ্যা বলা’র বাধ্যবাধকতা রয়েছে।