ভোপাল: স্কুলের মধ্যে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে এক সরকারি শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ন্যক্কারজনক এই ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের অবধপুরিতে।
খবরে প্রকাশ, বুধবার ক্লাস শেষের পর অভিযুক্ত মোহন সিংহ কাজের অছিলায় নিজের অফিসঘরে ২ কিশোরীকে ডাকে। এক কিশোরীকে চলে যেতে বলে ১১ বছরের নির্যাতিতাকে থেকে যেতে বলে। অভিযোগ, ঘর বন্ধ করে ওই কিশোরীর ওপর পাশবিক অত্যাচার চালায় মোহন।
অভিযোগ পেয়ে, গতকালই মোহনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ সহ ভারতীয় দণ্ডবিধি ও পকসো আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ডিসেম্বর থেকেই ওই কিশোরী বাড়িতে অভিযোগ জানাত যে স্কুলে শিক্ষক তাকে খুব মারে ও শ্লীলতাহানি করে। এদিকে, অভিযুক্তের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করা নির্যাতিতার মা, মেয়ের কথাকে বেশি গুরুত্ব দিত না।
কিশোরীর মায়ের মনে হয়েছিল, স্কুল না যাওয়ার জন্য বাহানা করছে মেয়ে। তার মা এ-ও মনে করত, যে হয়ত সে পড়া পারেনি, তাই শিক্ষক তাকে মেরেছে।
অন্যদিকে, নয়ডার সেক্টর টেন-এ এক মহিলাকে ধর্ষণ ও তাঁর কিশোরী কন্যার শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল চারজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাতে।
পুলিশের কাছে মহিলা অভিযোগ করেন, চার ব্যক্তি—কিষেণ লাল, নীরজ, মঙ্গত রাম ও রাজ কুমার বলপূর্বক তাঁর বাড়িতে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণ করে ও ১৭ বছরের মেয়ের শ্লীলতাহানি করে। পুলিশ জানিয়েছে, চার অভিযুক্তই ফেরার। তাদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।