নয়াদিল্লি: কংগ্রেস কার্যত মুছে গিয়েছে উত্তরপ্রদেশের মানচিত্র থেকে। ৪০৩ সদস্যের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে জোট বেঁধে হাতে গোনা কয়েকটি আসন পেয়েছে। হাতছাড়া হয়েছে উত্তরাখণ্ডও। আনুষ্ঠানিক ভাবে দলের সভাপতি পদে বসার আগে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে রাহুল গাঁধীর নেতৃত্বের কার্যকারিতা নিয়েই। নীরবতা ভেঙে আজ কংগ্রেস সহ সভাপতি বলেন, দলে কাঠামোগত ও সাংগঠনিক বদল চাই। এটা বাস্তব সত্য। অবশ্য একইসঙ্গে তাঁকে এও বলতে শোনা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস সামান্য পিছিয়ে পড়েছে বটে, তবে সামগ্রিকভাবে বিধানসভা ভোটে দলের ফল তেমন একটা খারাপ নয়। বিজেপি মূলত মেরুকরণের জোরেই ভোটে জিতেছে বলেও দাবি করেন রাহুল। তবে বীরাপ্পা মইলি, সত্যবত চতুর্বেদীর মতো সিনিয়র নেতারা দলে 'সার্জারি' চাই যাতে নতুন শক্তি যোগ হয় বলে অভিমত জানিয়েছেন। চতুর্বেদীর বক্তব্য, ২০১৪ সালে দলের লোকসভা ভোটে বিপর্যয় হওয়ার পর থেকেই তিনি সংগঠন ঢেলে সাজার কথা বলছিলেন। এ প্রসঙ্গে তাঁর কটাক্ষ, এতদিন যেসব ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল, সেগুলি না নেওয়া হলে এখন নিয়ে আর কী হবে! তিনি এও বলেন, দলের ব্যর্থতার জন্য যারা দায়ী, তাদের সরাতে হবে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বীরাপ্পা মইলি আবার দলের বিকেন্দ্রীকরণের দাবি তোলার পাশাপাশি বড় ধরনের সার্জারি প্রয়োজন বলেও অভিমত জানান। অবশ্য একইসঙ্গে তিনি এটা বলতে ভোলেননি যে, দলের একেবারে সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে এর বাইরে রাখা হবে।