নয়াদিল্লি: নাবালিকাদের পাচার এবং দেহব্যবসা চক্রের মূল অভিযুক্ত গীতা অরোরা ওরফে সোনু পঞ্জাবনকে অবশেষে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ। ৬ মাস ধরে তার খোঁজ করছিল। শেষপর্যন্ত শনিবার তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্র্যাঞ্চের সাইবার সেল অফিসে সোনুকে জেরা করছেন এসিপি সন্দীপ লাম্বা। দিল্লি পুলিশের এক আধিকারিক বলেছেন, এক কিশোরীর অভিযোগের ভিত্তিতেই সোনুর খোঁজ শুরু করে পুলিশ। ওই কিশোরীর অভিযোগ, ২০০৯ সালে যখন তাঁর ১২ বছর বয়স ছিল, তখন অপহরণ করে জোর করে দেহব্যবসায় নামায় সোনু। ২০১৪ সালে পালিয়ে এসে নজফগড় থানায় সোনু ও তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ওই কিশোরী। কিন্তু পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে তিনি প্রাণভয়ে লুকিয়ে পড়েন। এরপর তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এসিপি লাম্বার হাতে তদন্তভার যায়। তিনি এ বছরের নভেম্বরে ওই কিশোরীকে খুঁজে বার করেন। পুলিশকে ওই কিশোরী জানান, তাঁকে অপহরণ করার পর একাধিকবার বিক্রি করে দেওয়া হয়। সোনুর সঙ্গীরা তাঁকে বহুবার ধর্ষণ করে। তাঁর উপর অকথ্য অত্যাচার চালানো হয়। দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ ও হরিয়ানায় ছড়িয়ে সোনুর চক্র। গ্রেফতার করার পর সোনুর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, অপহরণ ও পকসো ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোনুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় আরও পাঁচটি মামলা ঝুলছে।