নয়াদিল্লি: কৃষি সমস্যা নিয়ে ১৯-২০ ফেব্রুয়ারি দু দিনের জাতীয় সম্মেলন বসছে রাজধানীর পুসা কমপ্লেক্সে। উদ্যোক্তা কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রক। ২০ তারিখ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থাকবেন বলে জানিয়েছেন কৃষি সচিব এস কে পট্টনায়ক। কৃষিমন্ত্রী রাধামোহন সিংহ, নীতি আয়োগের শীর্ষ অফিসাররা, কৃষিপণ্য নির্ধারণকারী সংস্থা সিএসিপি, কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও থাকবেন। আলোচনা হবে কৃষিকে চাঙ্গা করতে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপের ব্যাপারে। ২০২২ সাল নাগাদ কৃষকের আয় বাড়িয়ে দ্বিগুণ করার ঘোষণা কীভাবে বাস্তবায়িত করা যায়, কথা হবে তা নিয়েও। সম্মেলনের প্রথম দিনে কৃষকরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন ও সামগ্রিক ভাবে কৃষি ক্ষেত্র ও তার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন সেক্টরের গলদগুলির ব্যাপারে কথা বলবেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা পরদিন সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর সামনে তাঁদের সুপারিশ জমা দেবেন। সেগুলি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে পলিসি স্থির করা হবে। বলা হচ্ছে যে, গত বছর ব্যাপক ফলনের জেরে ডাল, তৈলবীজের মতো বেশ কিছু কৃষিপণ্যের দামে ব্যাপক পতন হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সারা দেশেই কৃষকরা বিরাট বিপর্যয়ে পড়েছে। সঙ্কট মোকাবিলায় ইতিমধ্যে মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থান সরকার কৃষকদের জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে। দু রাজ্যেই সামনে বিধানসভা ভোট। কেন্দ্রও ২০১৮-১৯ এর সাধারণ বাজেটে উত্পাদন খরচের দেড় গুণ বেশি ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) ঘোষণা করেছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি আগেই বলেছেন, দেশের আর্থিক সমৃদ্ধি যুক্তিসঙ্গত, পোক্ত হয় না যদি না কৃষিতে তার প্রতিফলন না ঘটে। তাই আর্থিক বৃদ্ধির সুফল যাতে কৃষকের কাছে পৌঁছয়, কৃষিতেও বৃদ্ধি চোখে পড়ে, তা সুনিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান সংস্থা (সিএসও) চলতি অর্থবর্ষে কৃষি ও তার সঙ্গে যুক্ত ক্ষেত্রগুলিতে বৃদ্ধির হার গত বছরের ৪.৯ থেকে কমে ২.১ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে।