গুরুভায়ুর (কেরল): কেরলের গুরুভায়ুরের নেনমেনি এলাকায় খুন আরএসএস ক্যাডার। অভিযোগ, রবিবার ২৩ বছরের আনন্দন নামে ওই আরএসএস কর্মী মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁকে আক্রমণ করে গাড়ি চেপে আসা একদল সিপিএম কর্মী। জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। ২০১৩ সালে এক সিপিএম কর্মীর খুনের মামলায় অভিযুক্ত ব্রহ্মকুলাম এলাকার বাসিন্দা আনন্দন জামিনে বাইরে ছিলেন। একটি সূত্রের খবর, এটি রাজনৈতিক বদলা খুন বলে ধারনা পুলিশের। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, ২০০১ সাল থেকে কেরলে তাদের ১২০ জন কর্মী খুন হয়েছেন। শুধু কান্নুরেই ৮৪ জন। তার মধ্যে ১৪জন নিহত হয়েছেন গত বছর পিনারাই বিজয়ন মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর। পাল্টা বিজেপি-আরএসএসের বিরুদ্ধে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ তুলে রাজনৈতিক হত্যায় পার্টিকর্মী ও রাজ্যের ক্ষমতাসীন সরকারের জড়িত থাকার কথা উড়িয়ে দিয়েছে সিপিএম। সঙ্ঘ কর্মীর খুনের তীব্র নিন্দা করে ট্যুইট বার্তায় সিপিএম কর্মীদের নিশানা করেছেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। তাঁর বক্তব্য, কেরলের গুরভায়ুরে তরুণ স্বয়মসেবকের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা করছি। সিপিএম কর্মীদের লাগাতার হিংসা এবং এ ধরনের রাজনৈতিক খুনের হাত থেকে নিরাপত্তার বিষয়টি এখন সারা দেশের সামনে রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে জবাব দিতে হবে, দলে অপরাধীদের বাড়বাড়ন্ত নিয়ন্ত্রণে তাঁর সরকার কী করছে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি কুম্মানাম রাজশেখরণ বলেন, বামপন্থী সন্ত্রাসে রক্তাক্ত হয়েই চলেছে কেরল। ত্রিচূরের গুরুভায়ুরে নৃশংস ভাবে খুন বিজেপি কার্যকর্তা আনন্দন। কেরলে জঙ্গলরাজ চলছে। মাথাচাড়া দিচ্ছে কমিউনিস্ট সন্ত্রাস।