নয়াদিল্লি: গুরুগ্রামের রায়ান স্কুলে প্রদ্যুম্ন ঠাকুরের হত্যাকাণ্ডে বাস কন্ডাক্টর অশোক কুমারকে বেকসুর খালাস করে দিল বিশেষ শিশু আদালত। গত বছরের নভেম্বরে তিনি জেল থেকে মুক্তি পান। আজ এই মামলা থেকেই রেহাই পেলেন অশোক। গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর স্কুলের শৌচাগারে সাত বছর বয়সি প্রদ্যুম্নর গলা কাটা দেহ পাওয়া যায়। এর কয়েকঘণ্টা পরেই অশোককে গ্রেফতার করে পুলিশ। ১০ নভেম্বর গুরুগ্রামের পুলিশ কমিশনার সন্দীপ খায়েরওয়ার সাংবাদিক বৈঠকে দাবি করেন, প্রদ্যুম্নকে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করেন অশোক। বাধা পেয়েই তিনি এই শিশুটিকে খুন করেন। তবে অশোকের আইনজীবী মোহিত ভার্মা দাবি করেন, ‘পুলিশ পরিকল্পনামাফিক এক নির্দোষকে ফাঁসাচ্ছে। অশোকের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে। ক্লোজার রিপোর্ট পেলেই আমরা জামিনের আর্জি জানাব। অশোক জামিন পেলেই আমরা পুলিশ ও স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করব।’ গত ৬ নভেম্বর অবশ্য এই মামলার মোড় ঘুরে যায়। সিবিআই জানায়, অশোকের বিরুদ্ধে প্রদ্যুম্নকে খুনের কোনও প্রমাণ মেলেনি। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীরা দাবি করেন, পরীক্ষা পিছিয়ে দিতেই প্রদ্যুম্নকে খুন করেছে ওই ছাত্র।