বেঙ্গালুরু: কর্নাটক বিধানসভা ভোটের প্রচারে উত্তাপ মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার ট্যুইটে। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, যোগী আদিত্যনাথকে 'উত্তর ভারতের আমদানি' বলে কটাক্ষ করায় বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়েছে। ক্ষুব্ধ বিজেপি। রাজ্য কংগ্রেসের কান্ডারী ট্যুইটে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, উত্তরপ্র্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মতো উত্তর ভারতের আমদানির মুখাপেক্ষী কর্নাটক বিজেপি। ওরা মেনে নিচ্ছে, রাজ্যে কোনও নেতা নেই ওদের। মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ইয়েদুরাপ্পাকেও ডামিতে পরিণত করেছে। তিনি এও বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী আসবেন, চলেও যাবেন। কিন্তু লড়াইটা আসলে তাঁর ও ইয়েদুরাপ্পার। আর গেরুয়া শিবিরও জানে, ১২ মে-র বিধানসভা ভোট কারা জিততে চলেছে। পাল্টা বিজেপি ট্যুইটে সিদ্দারামাইয়ার আমদানি কটাক্ষের জবাবে বলেছে, ওনার উত্তর আর দক্ষিণ ভারতের মধ্যে এমন বিভাজন তৈরির চেষ্টা বিরক্তিকর। ট্যুইটে বলা হয়েছে, আমদানি! আর কত নীচে নামবেন মুখ্যমন্ত্রী? তবে আমরা আপনার মাথাব্যাথার কারণ বুঝতে পারছি। নিজের কেন্দ্রের মানুষই আপনাকে প্রত্যাখান করেছেন আপনাকে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর গোটা ভারতে গ্রহণযোগ্যতা আছে। সময় হয়েছে উনি এখানে এলে নেতা কীভাবে হতে হয়, সে ব্যাপারে দু-একটা বিষয় শিখে নিন আপনারা। পরোক্ষে প্রাক্তন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধীকেও কটাক্ষ করে বিজেপি ট্যুইটে বলেছে মোদী, আদিত্যনাথকে উত্তর ভারতের আমদানি বললে ১০ জনপথের বাসিন্দাদের সম্পর্কে কী বলা যায়? আপনাদের হতাশা, মরিয়া মনোভাবের কারণটা বুঝি মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী। যখন দেখছেন, আপনার নিজের জায়গা চামুন্ডেশ্বরীতেই প্রধানমন্ত্রী মোদী আপনার চেয়ে বেশি জনপ্রিয়, তখন এ ধরনের বেলাগাম মন্তব্য স্বাভাবিক। কর্নাটক কংগ্রেসের ভারপ্রাপ্ত নেতা কে সি বেনুগোপালকেও কটাক্ষ করেছে বিজেপি। বেনুগোপালের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি কেরলে সোলার প্যানেল কেলেঙ্কারি মামলায় প্রধান অভিযুক্ত সরিতা নায়ারকে ধর্ষণ করেছেন। যদিও তিনি অভিযোগ উড়িয়ে জানিয়েছেন, গত ৪০ বছর তিনি রাজনীতি করছেন, কখনও গায়ে কালো দাগ পড়েনি।