কাশ্মীরে সন্ত্রাসে আর্থিক মদত: হাফিজ সঈদ, কাশ্মীরী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে মামলা ইডি-র
Web Desk, ABP Ananda | 23 Jun 2017 09:11 PM (IST)
নয়াদিল্লি: জম্মু ও কাশ্মীরে অশান্তিতে পাকিস্তান থেকে অর্থ পাচারের মাধ্যমে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আগেই। এ ব্যাপারে মিরওয়াইজ ওমর ফারুকের হুরিয়ত কনফারেন্স ও দুখতারান-ই-মিল্লাতের লোকজন, পাকিস্তানে বর্তমানে গৃহবন্দি লস্কর-তৈবা প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সঈদের বিরুদ্ধে এবার বেআইনি অর্থ লেনদেন আইনে (পিএমএলএ) মামলা রুজু করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। জম্মু ও কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে ঢালার জন্য দেশের ভিতর, বাইরে থেকে হাওয়ালা ও অন্যান্য বেআইনি উপায়ে কীভাবে অর্থ পাচার করা হচ্ছে, তা তদন্ত করে দেখবে এই সংস্থা। সূত্রের দাবি, হাফিজ সঈদ ও হুরিয়তের মধ্যে আর্থিক লেনদনের প্রমাণ রয়েছে ইডি-র হাতে। প্রসঙ্গত, গত ৪ জুন ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দেওয়ার চক্রের হদিশ পেতে শ্রীনগর, দিল্লি ও হরিয়ানার মোট ৩৩টি স্থানে হানা দেয়। হিজবুল মুজাহিদিন, লস্করের লেটারহেড, নগদ আড়াই কোটি টাকা, ৮৫টি সোনার কয়েন তল্লাসি অভিযানে পাওয়া যায়। কয়েকজন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা নিজেদের অজ্ঞাতেই টেলিভিশনের ক্যামেরার সামনে কাশ্মীর উপত্যকায় নিরাপত্তাবাহিনীকে পাথর ছুঁড়ে মারা ও হিংসাত্মক বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য পাকিস্তানে লস্কর ও আরও নানা সূত্র থেকে টাকা পাওয়ার কথা কবুল করেছিল। তার কয়েকদিন বাদেই তল্লাসি চালানো হয়। তারপর বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের পাশাপাশি কট্টরপন্থী হুরিয়ত চেয়ারম্যান সৈয়দ আলি শা গিলানি, তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী তথা হুরিয়ত নেতা নঈম খান, ফারুক আহমেদ দার ও গাজি জাভেদ বাবার বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্তও রুজু করা হয়।