ওই ঘটনার কোর্ট অব এনকোয়ারির নির্দেশ দেয় সেনা। কিম্তু তার রিপোর্ট চূড়ান্ত হওয়ার আগেই মেজর গগৈকে কমেন্ডেশন কার্ড দিয়ে সম্মান জানান সেনাপ্রধান। গতকাল পিটিআইকে তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ কবলিত রাজ্যে খুব কঠিন পরিস্থতির মধ্যে কাজ করা তরুণ সেনা অফিসারদের মনোবল চাঙ্গা করাই মেজর গগৈকে পুরস্কার দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল। সেনাপ্রধানের মতে, কাশ্মীরে ছায়াযুদ্ধ চলছে, যা নোংরা যুদ্ধ। নোংরা উপায়েই সেই যুদ্ধ হয়ে থাকে। প্রতিপক্ষ যখন সামনাসামনি এসে লড়ছে, তখন নিয়ম মেনে যুদ্ধ চলতে পারে। কিন্তু নোংরা যুদ্ধের সময় অভিনব পন্থাই খুঁজে বের করতে হয়। জনতা আমাদের দিকে পাথর, পেট্রল বোমা ছুঁড়ছে। আমার জওয়ানরা যদি কী করতে হবে জানতে চায়, বাহিনীর প্রধান হয়ে তাদের কি বলব, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মার খেয়ে মরো। জাতীয় পতাকায় মোড়া সুন্দর কফিনে পুরে পূর্ণ মর্যাদা দিয়ে তোমার দেহ তোমার বাড়িতে পাঠিয়ে দেব! আমার কাজ হল, ওখানে কর্মরত আমার জওয়ানদের মনোবল তুঙ্গে রাখতে হবে আমাকে। 'নোংরা যুদ্ধের' সামনে নতুন পন্থা বের করতে হবে, সেনা প্রধানের মতে পূর্ণ সমর্থন বেঙ্কাইয়ার
Web Desk, ABP Ananda | 29 May 2017 03:44 PM (IST)
নয়াদিল্লি: কাশ্মীরে 'নোংরা যুদ্ধের' মোকাবিলায় নতুন নতুন পন্থার উদ্ভাবন করা প্রয়োজন, সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াতের এই মন্তব্য তিনি পূর্ণ সমর্থন করছেন বলে জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নাইডু। কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর গরিবি দূরীকরণ ও তথ্য সম্প্রচারমন্ত্রী ট্যুইট করেছেন, জম্মু ও কাশ্মীরের নোংরা যুদ্ধে নতুন পন্থা বের করা দরকার, সেনাপ্রধানের এই বক্তব্যের সঙ্গে একেবারে একমত আমি। সেনাপ্রধান গতকালের মন্তব্যে সম্প্রতি সেনা অফিসার মেজর নিতিন লিটুল গগৈয়ের এক কাশ্মীরী যুবককে পাথরবৃষ্টির মুখে সেনার জিপের সঙ্গে বেঁধে মানবঢাল করে ঘোরানোর পদক্ষেপকে কার্যত সমর্থন করেছেন।