ঠাণে: অবৈধভাবে ভারতে থাকার জন্য ২ বাংলাদেশি দম্পতিকে ২ বছরের কারাবাসের সাজা দিল মহারাষ্ট্রের একটি আদালত।

অতিরিক্ত দায়রা বিচারক এস এ সিনহা ওই চার বাংলাদেশি নাগরিককে ফরেনার্স অ্যাক্টের আওতায় দোষী সাব্যস্ত করেন। কারাবাসের পাশাপাশি প্রত্যেকের ওপর ১০ হাজার টাকা করে জরিমানাও ধার্য করেন বিচারক।

গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মীরা রোড অঞ্চলের হাটমেন্ট কলোনিতে অভিযান চালিয়ে এই চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যে চার বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করা হয় তারা হল—উত্তম গোলাপ সিকন্দর, মাউ উত্তম সিকন্দর, আলাউদ্দিন গনি মালিক ও মুসলিমা আলাউদ্দিন মালিক।

পুলিশের দাবি, ধৃতেরা স্বীকার করে তারা বাংলাদেশি নাগরিক। তবে, পরিচয় বা ঠিকানার কোনও বৈধ কাগজপত্র বা প্রমাণ পেশ করতে পারেনি তারা। পুলিশ জানিয়েছে, জীবিকা অর্জনের জন্য তারা ছোটখাটো কাজ করত।

রায় দিতে গিয়ে বিচারক জানান, দুপক্ষের সওয়াল-জবাব শুনে মনে হচ্ছে যে, এই দুই দম্পতি নিজেদের দেশের আর্থিক দুরবস্থা ও কর্মহীনতার জন্য এদেশে চলে এসেছে। ফলে, তাদের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়ে সাজার মেয়াদ ২ বছর করা হল। তিনি আধিকারিকদের নির্দেশ দেন, সাজা পূরণ হওয়া মাত্রই যেন তাদের দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

এর আগে, গত সপ্তাহেই ২০১২ সালের একটি মানব পাচার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তিন বাংলাদেশি নাগরিককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা শোনায় মহারাষ্ট্রের আদালত। পাশাপাশি, প্রত্যেককে ২৬  হাজার টাকা করে জরিমানাও করেন বিচারক।

দেহ ব্যবসায় নামানোর ছক? ৩ বাংলাদেশির ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড