জে পি নাড্ডার পর বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হলেন নিতিন নবীন। আর কোনও প্রার্থী মনোননয় জমা না দেওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন নিতিন নবীন। আজ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে বিজেপির তরফে। বিহারের পাঁচ বারের বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী নিতিন নবীনই এখনও পর্যন্ত বিজেপির সর্বকনিষ্ঠ সর্বভারতীয় সভাপতি। ২০২০ সাল থেকে বিজেপির সর্বোচ্চ দলীয় পদে ছিলেন জে পি নাড্ডা। এর আগে এত কম বয়সে কেউ দলের দায়িত্ব নেননি। বিহার রাজনীতির পরিচিত মুখ নীতিনের বয়স মাত্র  ৪৫ বছর । হিসেব মতো তিনিই হতে চলেছেন বিজেপি দলের সর্বকনিষ্ঠ সর্বভারতায় সভাপতি। 

Continues below advertisement

বিজেপির একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, সর্বভারতীয় সভাপতি পদের জন্য প্রস্তাবিত একমাত্র প্রার্থীই ছিলেন নীতিন নবীন।  দলীয় নির্বাচন কর্মকর্তা ডঃ কে. লক্ষ্মণ জানিয়েছেন, অন্য কেউ  সর্বভারতীয় সভাপতি পদের জন্য মনোনয়নপত্র জমা না দেওয়ায় নীতিন নবীন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারী, ২০২৬) আনুষ্ঠানিকভাবে নীতিন নবীনের নাম ঘোষণা করা হবে। বিহারের রাজনীতিতে বেশ জনপ্রিয় মুখ এই তরুণ বিজেপি নেতা। পাটনায় জন্ম । বাবাও ছিলেন প্রভাবশালী বিজেপি নেতা প্রয়াত নবীন কিশোর প্রসাদ সিনহা। 

বিহারের পাঁচবারের বিধায়ক নীতিন নবীনকে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর জাতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ , উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি, হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনি এবং গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্তও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিহার, অন্ধ্র প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, আসাম এবং ঝাড়খণ্ড সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যের নেতারাও নীতিন নবীনের সমর্থনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।  

Continues below advertisement

এর আগের বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডাও এই ভাবেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এই পদে এসেছিলেন। ২০১৯ সালের জুন মাসে তিনি দলের দায়িত্ব নেন জাতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি হিসেবে। তারপর তিনি এই পদের পূর্বসূরী অমিত শাহের স্থলাভিষিক্ত হন।  ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দলের সর্বভারতীয় সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন নাড্ডা।