নয়া দিল্লি: কখনও ফাইটার জেট, কখনও ড্রোনের হানা, ভারতের 'অপারেশন সিঁদুরে' কুপোকাত পাকিস্তান। নাস্তানাবুদ পাকিস্তানকে ভারত বুঝিয়ে দিল ভারতের প্রকৃত লড়াই কার সঙ্গে। ইতিমধ্যে ভারতীয় সেনার তিনবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, জঙ্গি ঘাঁটির পাশাপাশি, আঘাত হানা হয়েছে পাক সেনার তেরোটি ঠিকানায়। যার মধ্যে রয়েছে কয়েকটা বায়ুসেনা ঘাঁটিও। শুরুটা হয়েছিল জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস দিয়ে কিন্তু তারপরই পাকিস্তান, জঙ্গিদের পক্ষে দাঁড়িয়ে মিসাইল ও ড্রোন হামলা শুরু করার পর পাল্টা পাকিস্তানের সামরিক ঘাঁটির ওপর আঘাত হানতে শুরু করে ভারতীয় সেনাবাহিনী। আর তাতেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের যাবতীয় ডিফেন্স। ভারতের এই সাফল্য নিয়ে এবার প্রশংসায় ভরালেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন সেনা তথা বর্তমানে আরবান ওয়ারফেয়ার ইনস্টিটিউটের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জন স্পেনসার। 

একটি এক্স পোস্টে জন স্পেনসার লেখেন, 'মাত্র চার দিনের নিখুঁত সামরিক পদক্ষেপের পর চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন। ভারতের জন্য এই জয় বিরাট জয়। অপারেশন সিঁদুর- এর মাধ্যমে কৌশলগত লক্ষ্য পূরণ করেছে। প্রথমে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা, এরপর সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শন করা, প্রতিরোধ ক্ষমতাকে নয়া মাত্রা দেওয়া এবং  নতুন জাতীয় নিরাপত্তা মতবাদকে বিশ্বের সামনে নিয়ে আসা। এটি কোনওভাবেই প্রতীকী শক্তি ছিল না। বরং এটি ছিল নির্ণায়ক শক্তি, যা স্পষ্টভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।'               

তিনি এও বলেন, ভারত অপারেশন সিঁদুর কিন্তু এখনও বন্ধ করেনি বরং স্থগিত করেছে। কেউ কেউ এটিকে যুদ্ধবিরতি বলতে পারেন, কিন্তু সামরিক নেতারা কিন্তু কিছুটা ইচ্ছাকৃতভাবেই এই শব্দটি এড়িয়ে গেছেন। যুদ্ধের দৃষ্টিকোণ থেকে, এটি কেবল একটি বিরতি নয়; এটি সামরিক বিজয়ের পরে একটি কৌশলগত স্থগিতাদেশ। 

সোমবারই ভারত-পাকিস্তান দু-দেশের ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশনসের মধ্যে কথা হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, ভারত এবং পাকিস্তান উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে একটিও গুলি না চালানোর প্রতিশ্রুতি রাখার বিষয়ে দুই দেশের ডিজিএমও-দের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্ত এবং সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সেনা কমানোর বিষয়েও উভয় পক্ষ একমত হয়েছে।