নয়া দিল্লি: পহেলগাঁওয়ে হিন্দু পর্যটকদের ধর্ম জেনে হত্যার ঘটনায় এবার 'নিজ ঘরে'ই বিদ্রোহের মুখে পাক সেনা প্রধান জেনারেল আসিম মুনির। কাশ্মীরে গণহত্যায় ভারতের হুঙ্কারের মধ্যে ঘরেই বিপর্যস্ত পাকিস্তান। 

যুদ্ধের দিকে দেশকে এগিয়ে যাওয়ার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে খোদ পাক সেনা প্রধান। জঙ্গিদের মদত দেওয়ার অভিযোগে ঘরেই প্রশ্নের মুখে পাক সেনা প্রধান। পাক সেনা প্রধানের মদতেই পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল। সেনা প্রধানকেই কাঠগড়ায় তুললেন পাক জয়েন্ট স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান সামসদ মির্জা।            

এ প্রসঙ্গে এবিপি আনন্দকে ব্রিগেডিয়ার দেবাশিস দাস বলেন, 'অবাক হচ্ছি না। কারণ এর আগেও পাক সেনাপ্রধানরা এই কাজ করে এসেছেন। ভুট্টোকে ফাঁসিতে চড়িয়েছিলেন তৎকালীন পাক সেনাপ্রধান। কার্গিলের সময়ও একই বিষয় দেখা গিয়েছিল। এটা ওদের একটা অসুখ। পাকিস্তানের সেনাপ্রধানদের ক্যান্সারের মতো রোগ আছে যার নাম- ভারতবিদ্বেষ। বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির এই রোগকে আরও একধাপ এগিয়ে হিন্দুবিদ্বেষ করেছেন। যাতে ভারতের সম্প্রীতিকে ভেঙে দেওয়া যায়।'                                     

এরই মধ্যে পহেলগাঁও হামলা ও উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে PMLN প্রধান নওয়াজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের। কূটনৈতিক স্তরে পদক্ষেপ নিয়ে ২ দেশের মধ্যে শান্তিপ্রতিষ্ঠা চান শরিফ, এমনটাই খবর পিএমএলএন সূত্রের। ভারতের বিরুদ্ধে কোনও আগ্রাসী পদক্ষেপ চান না নওয়াজ শরিফ, সূত্র মারফৎ খবর। কূটনৈতিকভাবে দু'দেশের মধ্যে সমস্যার সমাধানের উপর জোর দিয়েছেন নওয়াজ শরিফ, জানা গিয়েছে এমনটাই।                          

এদিকে, একটি চিঠি ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায় যেখানে দেখা যাচ্ছে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হতেই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অন্দরে 'ফাটল' দেখা দিয়েছে। একাধিক সেনার পদত্যাগ অনুরোধ এসেছে। এহেন গণপদত্যাগ নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তারা। সশস্ত্র বাহিনীর সকল পদমর্যাদার প্রতি তাদের মনোবল বজায় রাখার এবং জাতির প্রতি তাদের আনুগত্য পুনর্ব্যক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

যদিও এই ভাইরাল পোস্টটির সত্যতা যাচাই করেনি এবিপি লাইভ বাংলা। মনে করা হচ্ছে ভাইরাল এই খবরটি ভুয়ো হতে পারে ।