নয়া দিল্লি: পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খাইবার পাখতুনখোয়া (Khyber Pakhtunkhwa) প্রদেশে একটি শান্তি মিছিলকে লক্ষ্য করে ভয়াবহ আত্মঘাতী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোয়াত (Swat) জেলার কাবাল (Kabal) এলাকায় এই হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ২০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পুলিশকর্মী ও সাধারণ নাগরিক উভয়েই রয়েছেন।                                                    

Continues below advertisement

প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, কাবাল পুলিশ স্টেশনের কাছে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী শান্তি মিছিল চলছিল। সেই সময় এক আত্মঘাতী হামলাকারী বিস্ফোরকভর্তি জ্যাকেট পরে ভিড়ের মধ্যে ঢুকে বিস্ফোরণ ঘটায়। মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা ধোঁয়া ও ধ্বংসস্তূপে ঢেকে যায় এবং চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।                                                      

প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, অজ্ঞাতপরিচয় ওই আত্মঘাতী হামলাকারী কাবাল থানার ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন। সেই সময়ে তাঁকে থামিয়ে তল্লাশির চেষ্টা করেন থানার বাইরে মোতায়েন পুলিশকর্মীরা। তখনই বিস্ফোরণটি হয়। সোয়াট জেলার পুলিশ আধিকারিক উমর খান জানাচ্ছেন, ঘটনায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। জখম হয়েছেন আরও ১৮ জন। এই হামলার পরে জেলা জুড়ে বাহিনীকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। আপাতত গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে নিরাপত্তাবাহিনী।, নিহত অন্তত ১৩, আহত ২০-র বেশি 

Continues below advertisement

বিস্ফোরণের পরপরই পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করে। গুরুতর আহতদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং হামলার তদন্ত শুরু হয়েছে।                                      

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন আনুষ্ঠানিকভাবে হামলার দায় স্বীকার না করলেও, সন্দেহের তির পাকিস্তানি তালিবান (TTP)-এর দিকেই। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলে জঙ্গি হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।